গ্রীষ্মে ঘামের কারণে ব্রণ কমানোর ভিটামিন ডায়েট
গ্রীষ্মে ঘামের কারণে ব্রণ কমানোর ভিটামিন ডায়েট জানলে ত্বক থাকবে ঠান্ডা,
পরিষ্কার আর গ্লোয়িং-ভিতর থেকে ব্রণ কন্ট্রোলের সহজ উপায়। দামি প্রোডাক্টে কাজ
হচ্ছে না? সঠিক ভিটামিন না পেলে ব্রণ বাড়বেই-এই ডায়েট প্ল্যান জানলে বদলে যাবে
আপনার স্কিন!
কোন খাবারগুলো সত্যিই স্কিন ক্লিয়ার করে আর কোন ভুলগুলো ব্রণ বাড়ায়-সহজ, বাস্তব
টিপস জানলে আপনার ত্বক ফিরে পাবে স্বাভাবিক গ্লো। এই আর্টিকেলে আমরা জানবো
গ্রীষ্মে অতিরিক্ত ঘামের কারণে কেন ব্রণ বাড়ে এবং কীভাবে সঠিক ভিটামিন ডায়েট দিয়ে
ভেতর থেকে তা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
পোস্ট সূচিপত্রঃ গ্রীষ্মে ঘামের কারণে ব্রণ কমানোর ভিটামিন ডায়েট
- গ্রীষ্মে ঘামের কারণে ব্রণ কমানোর ভিটামিন ডায়েট এর গুরুত্ব
- গ্রীষ্মকালে ঘামের কারণে ব্রণ হওয়ার প্রধান কারণ
- ভিটামিন এ যুক্ত খাবার ব্রণ নিয়ন্ত্রণে কীভাবে সাহায্য করে
- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার ত্বকের প্রদাহ কমায় যেভাবে
- ভিটামিন ই এবং জিঙ্ক ত্বকের প্রতিরক্ষা বাড়ায়
- গ্রীষ্মে হাইড্রেশনের জন্য সেরা খাবার
- যেসব খাবার এড়িয়ে চললে ব্রণ কমবে
- সহজ এক সপ্তাহের ভিটামিন ডায়েট মেনু
- ডায়েটের সাথে দৈনন্দিন ত্বকের যত্নের টিপস
- সাবধানতা অবলম্বন এবং দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল
গ্রীষ্মে ঘামের কারণে ব্রণ কমানোর ভিটামিন ডায়েট এর গুরুত্ব
গ্রীষ্মে ঘামের কারণে ব্রণ কমানোর ভিটামিন ডায়েট আসলে ত্বকের ভিতর থেকে সমস্যা
সামলানোর সবচেয়ে কার্যকরী উপায়। গরমের সময় ঘাম বের হলে ত্বক চটচটে হয়ে যায়,
লোমকূপ বন্ধ হয়, ধুলোবালি লেগে ব্যাকটেরিয়া বাড়ে আর ব্রণ একের পর এক উঠতে থাকে।
শুধু মুখ ধোয়া বা ক্রিম লাগিয়ে এই সমস্যা পুরোপুরি সামলানো যায় না। কারণ ত্বকের
সমস্যাটা শরীরের ভিতর থেকেই শুরু হয়। ভিটামিন সমৃদ্ধ ডায়েট ত্বকের প্রদাহ কমায়,
কোষগুলোকে দ্রুত মেরামত করে এবং অতিরিক্ত তেল উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে।
ফলে ঘামের কারণে যে জ্বালা আর ফুসকুড়ি হয় সেটা অনেক কমে যায়। আমি অনেকের
ক্ষেত্রে দেখেছি, যারা এভাবে খাবার বদলেছেন তারা দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যেই
ত্বকের পরিবর্তন অনুভব করেছেন। বাইরের প্রোডাক্টের ওপর একা নির্ভর না করে এই
ডায়েট মেনে চললে ফলাফল অনেক বেশি স্থায়ী হয়। এই ডায়েটের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো
এটা ত্বককে শুধু ব্রণ থেকে বাঁচায় না, সামগ্রিক স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। গরমে
শরীর থেকে প্রচুর পানি আর খনিজ লবণ বের হয়ে যায়, যার ফলে ত্বকের প্রতিরক্ষা
ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে।
সঠিক ভিটামিন যুক্ত খাবার খেলে শরীরের ভিতরের আর্দ্রতা ঠিক থাকে এবং ত্বকের
ব্যারিয়ার মজবুত হয়। ভিটামিন এ, সি, ই আর জিঙ্কের মতো উপাদানগুলো একসাথে কাজ
করে ত্বকের লালচে ভাব, চুলকানি আর ফোলা কমিয়ে দেয়। যারা ঢাকার মতো আর্দ্র
আবহাওয়ায় থাকেন তাদের জন্য এটা আরও জরুরি। কারণ এখানে গরম আর আর্দ্রতা দুটোই
ব্রণ বাড়ানোর কাজ করে। ডায়েট ঠিক রাখলে আপনি শুধু ব্রণ কমাবেন না, ত্বকের
উজ্জ্বলতা আর মসৃণতাও ফিরে পাবেন।
সবশেষে বলব, ঘামের কারণে ব্রণ কমানোর ভিটামিন ডায়েট মেনে চলাটা একটা
দীর্ঘমেয়াদী সমাধান। অনেকে শুধু মৌসুমি সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যান, কিন্তু নিয়মিত
অনুসরণ করলে ত্বকের অবস্থা একেবারে বদলে যায়। ধৈর্য ধরে দুই-তিন মাস চালিয়ে
গেলে দেখবেন ব্রণের পুনরাবৃত্তি অনেক কমে গেছে। আর এতে কোনো বড় খরচও হয় না,
সাধারণ বাজারের সবজি, ফল আর বীজ দিয়েই কাজ হয়। যদি আপনি এখনও শুধু বাইরের যত্নে
আটকে থাকেন তাহলে একবার এই ডায়েট চেষ্টা করে দেখুন। ফল নিজেই বুঝতে পারবেন যে
ভিতর থেকে ত্বক সুস্থ করাটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
গ্রীষ্মকালে ঘামের কারণে ব্রণ হওয়ার প্রধান কারণ
গরমের সময় শরীর থেকে ঘাম বের হওয়াটা স্বাভাবিক, কিন্তু এই ঘামই ত্বকের জন্য বড়
সমস্যা তৈরি করে। যখন ঘাম বের হয় তখন ত্বকে লবণের স্তর জমে যায় এবং সেই সাথে
ত্বকের নিজস্ব তেলও বেড়ে যায়। ফলে লোমকূপগুলো আটকে যায়। বিশেষ করে যারা সারাদিন
বাইরে ঘুরে বেড়ান বা অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে রোদে থাকেন, তাদের ত্বক আরও দ্রুত
চটচটে হয়ে ওঠে। এই অবস্থায় বাইরের ধুলোবালি লেগে যায় এবং ছোট ছোট ফুসকুড়ি শুরু
হয়। শুধু একবার ঘাম হলেই নয়, দিনে বারবার ঘামলে এই প্রক্রিয়াটা বারবার চলতে থাকে।
ঘামের সাথে ধুলোবালি মিশে গেলে ব্যাকটেরিয়া খুব সহজে বাড়তে শুরু করে। ত্বকের
উপরের স্তর যখন আর্দ্র আর চটচটে থাকে তখন ব্যাকটেরিয়াগুলোর জন্য এটা আদর্শ পরিবেশ
হয়ে যায়। বিশেষ করে প্রপিওনিব্যাকটেরিয়াম অ্যাকনিস নামের ব্যাকটেরিয়া যেটা ব্রণের
মূল কারণ, সেটা দ্রুত গুণিত হয়। যারা মেকআপ করে বাইরে যান বা সারাদিন মাস্ক পরে
থাকেন তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও বেশি দেখা যায়। ঘামের কারণে ত্বকের প্রাকৃতিক
তেলের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়, ফলে আরও বেশি তেল বের হয় এবং লোমকূপ পুরোপুরি বন্ধ
হয়ে পড়ে।
হরমোনের তারতম্যও এই সময়ে বড় ভূমিকা রাখে। গরমে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায়
স্ট্রেস হরমোন বাড়ে এবং সেটা ত্বকের তেল গ্রন্থিগুলোকে অতিরিক্ত সক্রিয় করে তোলে।
যারা বয়ঃসন্ধিকাল পার করছেন বা মেয়েরা যাদের মাসিকের সময় হরমোনের ওঠানামা হয়,
তাদের এই সমস্যা আরও তীব্র হয়। ঢাকার মতো আর্দ্র আবহাওয়ায় যেখানে গরমের সাথে
আর্দ্রতা দুটোই একসাথে থাকে, সেখানে ঘাম শুকাতে সময় লাগে। ফলে ত্বক সারাক্ষণ ভেজা
ভেজা থাকে এবং ব্রণ উঠার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো পানির অভাব। গরমে ঘামের সাথে শরীর থেকে অনেক পানি
বের হয়ে যায়, কিন্তু আমরা অনেক সময় সেটা পূরণ করতে ভুলে যাই। ফলে ত্বকের ভিতরের
আর্দ্রতা কমে যায় এবং বাইরের স্তর দুর্বল হয়ে পড়ে। ত্বকের এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
দুর্বল হলে ছোট ছোট সমস্যা থেকেই বড় ব্রণ হয়। এজন্য শুধু বাইরে থেকে মুখ ধোয়া বা
ক্রিম লাগানো যথেষ্ট হয় না। ভিতর থেকে ত্বককে সুস্থ রাখার জন্যও সমান গুরুত্ব
দিতে হয়।
ভিটামিন এ যুক্ত খাবার ব্রণ নিয়ন্ত্রণে কীভাবে সাহায্য করে
ভিটামিন এ ত্বকের কোষগুলোকে নিয়মিত পাল্টানোর কাজটা করে। যখন ত্বকের উপরের স্তর
পুরনো হয়ে যায় তখন এই ভিটামিন নতুন কোষ তৈরিতে সাহায্য করে। ফলে লোমকূপের ভিতরে
জমে থাকা ময়লা আর তেল সহজে বের হয়ে যায়। গরমের সময় ঘামের কারণে যে ব্রণ হয় সেখানে
এই প্রক্রিয়াটা খুব দরকারি। কারণ ঘাম আর ধুলো মিলে লোমকূপ আটকে যায়। নিয়মিত
ভিটামিন এ যুক্ত খাবার খেলে ত্বকের এই আটকে যাওয়া সমস্যা অনেক কমে। আর ব্রণের
নতুন উঠার হারও কমে যায়। এটা শুধু বাইরের ক্রিমের মতো কাজ করে না, ভিতর থেকে
ত্বককে পরিষ্কার রাখে।
এই ভিটামিন ত্বকের তেল উৎপাদনও নিয়ন্ত্রণ করে। অনেক সময় গরমে তেল গ্রন্থিগুলো
অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে পড়ে। ভিটামিন এ সেটাকে সামঞ্জস্যে আনে। ফলে ত্বক চটচটে হয় না
এবং ব্রণের জন্য পরিবেশ তৈরি হয় না। যারা প্রতিদিন গাজর, পালংশাক বা পেঁপে খান
তারা দেখেন যে ত্বক অনেকটা মসৃণ থাকে। এছাড়া এটা প্রদাহও কমায়। ব্রণ উঠলে যে
লালচে ভাব আর ফোলা হয় সেটা ধীরে ধীরে কমে। তাই শুধু ব্রণ কমানো নয়, ত্বকের
সামগ্রিক অবস্থাও ভালো হয়।
ভিটামিন এ পাওয়া যায় সহজ কিছু খাবারে। গাজর, পালংশাক, মিষ্টি আলু, পেঁপে আর আম
এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে থাকে। সকালে এক গ্লাস গাজরের জুস বা দুপুরের খাবারে
পালংশাকের তরকারি রাখলে খুব সহজেই এই ভিটামিন পাওয়া যায়। এগুলো খাওয়ার সময় একটু
তেল যুক্ত খাবারের সাথে খেলে শরীর আরও ভালোভাবে শোষণ করে। তাই সালাদে অল্প সরিষার
তেল বা বাদাম দিয়ে খেলে ফলাফল আরও ভালো পাওয়া যায়। এভাবে খেলে কয়েক সপ্তাহের
মধ্যেই ত্বকে পরিবর্তন দেখা যায়।
তবে ভিটামিন এ বেশি খাওয়া ঠিক নয়। প্রাকৃতিক খাবার থেকে পাওয়া গেলে কোনো সমস্যা
হয় না। কিন্তু সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ
অতিরিক্ত হলে শরীরে অন্যান্য সমস্যা হতে পারে। নিয়মিত সঠিক পরিমাণে খেলে
গ্রীষ্মের এই ঘামজনিত ব্রণ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকে। আর ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়ে।
আপনি যদি এখনও চেষ্টা না করে থাকেন তাহলে এবার থেকে শুরু করে দেখুন। ফল নিজেই
বুঝতে পারবেন।
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার ত্বকের প্রদাহ কমায় যেভাবে
ভিটামিন সি একটা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বকের প্রদাহ সরাসরি কমিয়ে
দেয়। গরমের সময় ঘাম বের হলে ত্বকে লালচে ভাব, চুলকানি আর ফোলা দেখা দেয়। এই
ভিটামিন ফ্রি র্যাডিক্যালগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে যাতে প্রদাহ আর না বাড়ে। ফলে
ব্রণের জায়গাগুলো ধীরে ধীরে শুকিয়ে যায় এবং নতুন করে উঠতে পারে না। এছাড়া এটা
কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে যার ফলে ত্বকের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামত হয়।
যারা গ্রীষ্মে বাইরে বেশি সময় কাটান তাদের ত্বকে এই প্রদাহ বেশি হয়। তাই ভিটামিন
সি যুক্ত খাবার নিয়মিত খেলে সেই জ্বালাটা অনেকটা কমে যায় এবং ত্বকের স্বাভাবিক
আর্দ্রতা ফিরে আসে।
গ্রীষ্মে ঘামের কারণে ব্রণ কমানোর ভিটামিন ডায়েট এই ভিটামিন সি কে খুব
গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। কারণ ঘামের সাথে যে প্রদাহ শুরু হয় সেটা শুধু বাইরের
ক্রিম দিয়ে সামলানো যায় না। ভিতর থেকে প্রদাহ কমালে ত্বকের ব্যারিয়ার মজবুত হয়
এবং ব্রণের পুনরাবৃত্তি কমে। লেবু, পেয়ারা, কমলা আর পেঁপের মতো সাধারণ ফল খেলে
শরীর এই ভিটামিন পায় এবং ত্বকের লালচে ভাব দ্রুত কমে। অনেকে দেখেছেন সকালে এক
গ্লাস লেবু পানি খেলে দিনভর ত্বক অনেক শান্ত থাকে। এছাড়া পেয়ারা খেলে শরীরে
ভিটামিন সি এর চাহিদা অনেকটা পূরণ হয় এবং ঘামের কারণে যে ছোট ছোট ফুসকুড়ি হয়
সেগুলোও কমে যায়।
এই ভিটামিন সি পাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্রতিদিনের খাবারে এগুলো যোগ করা।
পেয়ারা সবচেয়ে বেশি ভিটামিন সি দেয়, তাই একটা পেয়ারা খেলেই অনেকটা চাহিদা পূরণ
হয়। পেঁপে বা কমলা সালাদে রাখলে স্বাদও ভালো লাগে এবং ত্বকের প্রদাহ কমার সাথে
সাথে উজ্জ্বলতাও বাড়ে। তবে মনে রাখবেন, তাজা ফল খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। কোনো
সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার আগে ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন। নিয়মিত এভাবে খেলে গরমের
ঘামজনিত ব্রণের প্রদাহ অনেক কমে যাবে এবং ত্বকও উজ্জ্বল দেখাবে।
একটা ছোট টিপস দিই, ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়ার সময় একটু ভিটামিন ই যুক্ত
খাবারের সাথে মিলিয়ে খেলে শোষণ আরও ভালো হয়। যেমন পেয়ারার সাথে কয়েকটা বাদাম খেলে
ফলাফল দ্রুত দেখা যায়। গ্রীষ্মের এই সময়ে এই অভ্যাসটা মেনে চললে শুধু ব্রণ কমবে
না, ত্বকের সামগ্রিক স্বাস্থ্যও অনেক ভালো থাকবে। অনেকে এভাবে ডায়েট বদলে দেখেছেন
যে আগের মতো প্রতি সপ্তাহে নতুন ব্রণ উঠছে না। আপনিও চেষ্টা করে দেখুন, কয়েক
সপ্তাহ পর নিজেই তফাতটা টের পাবেন।
ভিটামিন ই এবং জিঙ্ক ত্বকের প্রতিরক্ষা বাড়ায়
ভিটামিন ই ত্বকের জন্য একটা শক্তিশালী ঢালের মতো কাজ করে। গরমের সময় ঘাম বের হলে
ত্বকে ফ্রি র্যাডিক্যাল তৈরি হয়, যা ত্বকের কোষগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই
ভিটামিন সেই ফ্রি র্যাডিক্যালগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে ত্বককে রক্ষা করে। ফলে ঘামের
কারণে যে জ্বালা আর লালচে ভাব হয় সেটা অনেক কমে যায়। এছাড়া ভিটামিন ই ত্বকের
প্রাকৃতিক তেলের ভারসাম্য রক্ষা করে যাতে অতিরিক্ত তেল বের না হয়। যারা সারাদিন
বাইরে থাকেন বা ঢাকার আর্দ্র আবহাওয়ায় চলাফেরা করেন তাদের ত্বকের এই প্রতিরক্ষা
খুব দরকারি। নিয়মিত বাদাম, সূর্যমুখী বীজ বা আভোকাডো খেলে ত্বকের এই প্রতিরক্ষা
শক্তি বেড়ে যায় এবং ব্রণের সমস্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
জিঙ্ক আবার ত্বকের ভিতরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করে। এটা ব্যাকটেরিয়া
মারতে সাহায্য করে যা ঘাম আর ধুলো মিশে ত্বকে বাড়তে থাকে। জিঙ্ক তেল উৎপাদন
নিয়ন্ত্রণ করে এবং ক্ষতস্থান দ্রুত শুকিয়ে যায়। ফলে ব্রণ উঠলেও সেটা বড় হয় না বা
দাগ রেখে যায় না। কুমড়োর বীজ, ডাল, মাছ আর বাদামে প্রচুর জিঙ্ক পাওয়া যায়। গরমের
সময় যখন ত্বকের প্রতিরক্ষা দুর্বল হয়ে পড়ে তখন জিঙ্ক শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে
সাপোর্ট দেয়। এই দুটো উপাদান একসাথে কাজ করলে ত্বকের ব্যারিয়ার আরও শক্তিশালী হয়।
এই দুটোকে একসাথে খাওয়ার অভ্যাস করলে গ্রীষ্মের ঘামজনিত সমস্যা অনেক কমে যায়।
সকালে কয়েকটা বাদাম আর সূর্যমুখী বীজ খেলে ভিটামিন ই পাওয়া যায়, আর দুপুরের
খাবারে ডাল বা কুমড়োর বীজ যোগ করলে জিঙ্ক আসে। অনেকে এভাবে ডায়েট বদলে দেখেছেন যে
ত্বক আর আগের মতো সংবেদনশীল থাকে না। তবে মনে রাখবেন, সবকিছু সঠিক পরিমাণে খাওয়া
উচিত। অতিরিক্ত সাপ্লিমেন্ট না নিয়ে প্রাকৃতিক খাবার থেকেই শুরু করুন। কয়েক
সপ্তাহ মেনে চললে ত্বকের প্রতিরক্ষা বেড়ে যাবে এবং গরমেও ত্বক অনেক সুস্থ ও মসৃণ
থাকবে।
গ্রীষ্মে হাইড্রেশনের জন্য সেরা খাবার
গরমের সময় শরীর থেকে প্রচুর ঘাম বের হয়ে যায়, ফলে ত্বকের ভিতরের পানির পরিমাণ কমে
যায়। এই অবস্থায় ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে কিন্তু একই সাথে অতিরিক্ত তেল বের হতে শুরু
করে। ফলে লোমকূপ আটকে যায় এবং ব্রণ উঠতে থাকে। হাইড্রেশন ঠিক রাখলে ত্বকের এই
ভারসাম্য ফিরে আসে। ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা বজায় থাকলে ঘামের কারণে যে জ্বালা
বা ফুসকুড়ি হয় সেটা অনেকটা কমে। শুধু পানি খেলেই হয় না, এমন খাবার খাওয়া দরকার
যাতে পানির সাথে ভিটামিন আর খনিজও পাওয়া যায়। এগুলো ত্বককে ভিতর থেকে সতেজ রাখে
এবং বাইরের আর্দ্রতার চাপ সামলাতে সাহায্য করে।
সবচেয়ে ভালো খাবারগুলোর মধ্যে তরমুজ, শশা আর বেলপেপার একেবারে উপরে। তরমুজে প্রায়
৯২ শতাংশ পানি থাকে, সাথে ভিটামিন এ আর সি। এক টুকরো তরমুজ খেলে শরীর হাইড্রেটেড
থাকে এবং ত্বকের প্রদাহও কমে। শশা আবার খুব হালকা, দুপুরের সালাদে যোগ করলে
সারাদিন ত্বক চটচটে লাগে না। বেলপেপারে পানির পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা
ঘামের কারণে ত্বকে যে ক্ষতি হয় সেটা মেরামত করে। এছাড়া ডাবের পানি তো গ্রীষ্মের
সেরা পানীয়। এতে প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট আছে যা ঘামের সাথে হারানো লবণ পূরণ করে।
গ্রীষ্মে ঘামের কারণে ব্রণ কমানোর ভিটামিন ডায়েট এই হাইড্রেশনকে আরও কার্যকরী
করে তোলে। কারণ শুধু ভিটামিন খেলেই হয় না, ত্বককে পানি দিয়ে ভেতর থেকে পূর্ণ
রাখতে হয়। যখন ত্বক হাইড্রেটেড থাকে তখন তেল উৎপাদন স্বাভাবিক হয় এবং লোমকূপ আটকে
যাওয়ার সম্ভাবনা কমে। এই ডায়েটের সাথে তরমুজ বা শশা যোগ করলে ব্রণ কমার গতি অনেক
বেড়ে যায়। অনেকে দেখেছেন দিনে দুবার এই খাবার খেলে ত্বকের শুষ্কতা আর চটচটে ভাব
দুটোই চলে যায়।
এগুলো প্রতিদিনের খাবারে সহজেই যোগ করা যায়। সকালে শশার সালাদ বা তরমুজের টুকরো
খান, দুপুরে খাবারের সাথে বেলপেপার রাখুন। বিকেলে ডাবের পানি তো অবশ্যই। এভাবে
হাইড্রেশন ঠিক রাখলে গরমেও ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল থাকে। শুধু এক সপ্তাহ মেনে চলুন,
দেখবেন ব্রণের সমস্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। তবে অতিরিক্ত ঠান্ডা খাবার না
খাওয়াই ভালো, শরীরের সাথে মানিয়ে খান।
আরো পড়ুনঃ
এলার্জি কমানোর দেশি রেমেডি বাংলাদেশে
যেসব খাবার এড়িয়ে চললে ব্রণ কমবে
গরমের সময় ঘাম বের হলে ত্বকের তেল উৎপাদন বেড়ে যায়। এই সময় চিনি বেশি আছে এমন
খাবার এড়িয়ে চললে ব্রণ অনেকটা কমে। কেক, চকলেট, কোল্ড ড্রিংকস বা মিষ্টি জুস
এগুলো রক্তে সুগার লেভেল হঠাৎ বাড়িয়ে দেয়। ফলে তেল গ্রন্থিগুলো অতিরিক্ত সক্রিয়
হয়ে পড়ে। ঘামের সাথে এই অতিরিক্ত তেল মিশে লোমকূপ আটকে যায়। অনেকে দেখেছেন, দিনে
একটা কোল্ড ড্রিংকস কম খেলেই ত্বকের চটচটে ভাব কমে যায় এবং নতুন ব্রণ উঠার হারও
কমে। ফাস্টফুড আর ভাজা জিনিসও একইভাবে ক্ষতি করে। বার্গার, ফ্রাইড চিকেন বা
পিজ্জায় থাকা অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট প্রদাহ বাড়ায়। গরমে এগুলো খেলে ঘাম আরও বেশি হয়
এবং ত্বকের সমস্যা আরও জটিল হয়ে যায়।
দুধ আর দুগ্ধজাত খাবারও গ্রীষ্মে ব্রণ বাড়ানোর বড় কারণ। দুধে থাকা হরমোন ত্বকের
তেল গ্রন্থিকে উত্তেজিত করে। যারা প্রতিদিন দুধ বা দই খান তারা প্রায়ই দেখেন যে
কপাল বা গালে ছোট ছোট ব্রণ উঠছে। চিজ, আইসক্রিম বা মিল্কশেক তো আরও খারাপ। এগুলো
এড়িয়ে চললে ত্বকের হরমোনাল ভারসাম্য ফিরে আসে। এছাড়া প্রসেসড ফুড যেমন চিপস,
প্যাকেটের নুডলস বা রেডি টু ইট খাবার এড়িয়ে চলুন। এতে থাকা কেমিক্যাল আর অতিরিক্ত
লবণ ঘামের সাথে মিশে ত্বককে আরও সংবেদনশীল করে তোলে।
এগুলো এড়িয়ে চলার পরিবর্তে সাধারণ বাড়ির খাবারে ফিরে যান। ভাতের সাথে সবজি, ডাল
আর মাছ রাখুন। মিষ্টির বদলে ফল খান। গরমে এই ছোট পরিবর্তনগুলো করলে দুই-তিন
সপ্তাহের মধ্যেই ত্বকের পরিবর্তন চোখে পড়ে। ঘাম হলেও ব্রণ আর আগের মতো ছড়িয়ে পড়ে
না। অনেকে এভাবে খাবার বদলে দেখেছেন যে ত্বক অনেক শান্ত ও পরিষ্কার থাকে। শুরু
করতে চাইলে প্রথমে চিনি আর ফাস্টফুড কমিয়ে দেখুন, তারপর ধীরে ধীরে দুধও কমান।
ফলাফল নিজেই বুঝতে পারবেন।
সহজ এক সপ্তাহের ভিটামিন ডায়েট মেনু
এই মেনুটা তৈরি করা হয়েছে একদম সাধারণ বাজারের জিনিস দিয়ে যাতে কোনো ঝামেলা না
হয়। গ্রীষ্মের গরমে ঘামের কারণে যে ব্রণ হয় সেটা কমাতে প্রতিদিনের খাবারে ভিটামিন
এ, সি, ই আর জিঙ্ক যোগ করা হয়েছে। সপ্তাহের সাত দিন একই রকম রুটিন মেনে চললেও ছোট
ছোট পরিবর্তন করে নেওয়া যায়। সকালে উঠে লেবু পানি দিয়ে শুরু করুন, তারপর
ব্রেকফাস্টে গাজর বা পালংশাক যুক্ত কিছু খান। এতে ত্বকের ভিতর থেকে প্রদাহ কমতে
শুরু করে। দুপুরের খাবারে শশা বা তরমুজের সালাদ রাখুন যাতে হাইড্রেশন ঠিক থাকে।
সন্ধ্যায় ফল আর বাদাম খেলে ক্ষুধা কমে এবং ত্বকের প্রতিরক্ষা বাড়ে। এই মেনু মেনে
চললে খরচও কম হয় আর রান্নার ঝামেলাও নেই।
প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস লেবু পানির সাথে গাজরের জুস বা পেঁপের স্মুদি খান। এতে
ভিটামিন সি আর এ দুটোই পাওয়া যায়। দুপুরের খাবারে ভাত বা রুটির সাথে পালংশাকের
তরকারি আর শশার সালাদ রাখুন। মাছ বা ডাল যোগ করলে জিঙ্কও আসবে। বিকেলে একটা
পেয়ারা বা কমলা খান, তার সাথে কয়েকটা বাদাম। এই সময়টায় ঘাম বেশি হয় তাই হালকা
খাবার রাখুন যাতে ত্বক চটচটে না লাগে। রাতের খাবারে সবজি বেশি দিন, যেমন বেলপেপার
বা মিষ্টি আলু যোগ করুন। এভাবে এক সপ্তাহ চালিয়ে গেলে দেখবেন ত্বকের তেলের
ভারসাম্য ফিরে আসছে।
সপ্তাহের মাঝে একদিন পরিবর্তন করে নিতে পারেন। যেমন বুধবারে তরমুজের সালাদ বেশি
রাখুন বা শুক্রবারে সূর্যমুখী বীজ যোগ করুন। পানি প্রচুর খান, দিনে অন্তত আট
গ্লাস। ডাবের পানি বিকেলে একবার খেলে ইলেকট্রোলাইট পূরণ হয়। এই মেনুতে কোনো ভাজা
বা চিনি যুক্ত জিনিস নেই যাতে ব্রণ না বাড়ে। সব খাবার তাজা আর ঘরে তৈরি রাখুন।
যদি অফিসে যান তাহলে সকালে একটা ছোট বক্সে সালাদ নিয়ে যান। এতে সারাদিন ত্বক
সুস্থ থাকবে।
গ্রীষ্মে ঘামের কারণে ব্রণ কমানোর ভিটামিন ডায়েট এই সহজ এক সপ্তাহের মেনু মেনে
চললে ফলাফল খুব দ্রুত দেখা যায়। প্রথম সপ্তাহেই অনেকে লক্ষ করেন যে নতুন ব্রণ
উঠছে না এবং পুরনোগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। এই ডায়েটটা নিয়মিত চালিয়ে গেলে ত্বকের
উজ্জ্বলতা বাড়বে এবং ঘামের জ্বালাও কমবে। যদি একবার অভ্যাস হয়ে যায় তাহলে পরের
সপ্তাহগুলোতে আরও সহজ লাগবে। আপনি চেষ্টা করে দেখুন, কয়েক দিন পর নিজেই বুঝতে
পারবেন ত্বক কতটা সুস্থ হয়েছে।
ডায়েটের সাথে দৈনন্দিন ত্বকের যত্নের টিপস
ডায়েট যতই ভালো হোক, বাইরের যত্ন ছাড়া পুরোপুরি ফল পাওয়া যায় না। গরমে ঘাম হলেই
মুখ ধুয়ে নিন, কিন্তু সাবান বা ফেস ওয়াশ ব্যবহার করবেন অয়েল ফ্রি আর মাইল্ড একটা।
দিনে দুবারের বেশি ধোয়া ঠিক নয়, কারণ তাতে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল চলে যায় এবং আরও
বেশি তেল বের হতে শুরু করে। ঘামের পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিলে লোমকূপ খুলে যায়
এবং ধুলোবালি সহজে বের হয়। এর সাথে ডায়েট মিলিয়ে চললে ত্বকের ভিতর থেকে যে
পরিবর্তন আসছে সেটা বাইরে থেকেও দ্রুত দেখা যায়।
রোদে বের হলে সানস্ক্রিন লাগানো একদম জরুরি। অয়েল ফ্রি, নন-কমেডোজেনিক সানস্ক্রিন
ব্যবহার করুন যাতে লোমকূপ আটকে না যায়। সকালে ঘর থেকে বের হওয়ার আগে লাগিয়ে নিন
এবং তিন-চার ঘণ্টা পর পর রিঅ্যাপ্লাই করুন। ঘাম হলে টাওয়েল দিয়ে আলতো করে মুছে
নিন, ঘষবেন না। রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে একটা হালকা
ময়েশ্চারাইজার লাগান। এই ছোট অভ্যাসগুলো ডায়েটের সাথে মিলিয়ে চললে গরমের সময়ও
ত্বক অনেক শান্ত থাকে।
গ্রীষ্মে ঘামের কারণে ব্রণ কমানোর ভিটামিন ডায়েট এর সাথে এই দৈনন্দিন যত্ন
মিলিয়ে চললে ফলাফল অনেক বেশি স্থায়ী হয়। কারণ ভিতর থেকে ত্বক সুস্থ হচ্ছে আর
বাইরে থেকে সুরক্ষা দিচ্ছেন। অনেকে শুধু একটা দিকে মনোযোগ দেন, কিন্তু দুটো
একসাথে করলে দুই-তিন সপ্তাহেই ত্বকের পরিবর্তন চোখে পড়ে। মুখে হাত দেওয়া একদম
কমিয়ে দিন, বালিশের কভার প্রতি দু-তিন দিনে ধুয়ে নিন। এভাবে চললে গরমেও ত্বক
পরিষ্কার ও উজ্জ্বল থাকবে। আপনি চেষ্টা করে দেখুন, ছোট ছোট টিপসগুলো নিয়মিত মেনে
চললে বড় পার্থক্য দেখবেন।
সাবধানতা অবলম্বন এবং দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল
এই ডায়েট মেনে চলার সময় কয়েকটা সাবধানতা অবশ্যই মাথায় রাখুন। প্রথমত, কোনো
ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট শুরু করার আগে ডাক্তার বা পুষ্টিবিদের সাথে কথা বলে নিন।
বিশেষ করে যাদের কোনো দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা আছে বা ওষুধ খাচ্ছেন তাদের জন্য এটা
খুব জরুরি। অতিরিক্ত ভিটামিন এ বা অন্য কোনো উপাদান খেলে শরীরে সমস্যা হতে পারে।
প্রাকৃতিক খাবার থেকেই বেশিরভাগ পুষ্টি নেওয়ার চেষ্টা করুন। পানি প্রচুর খান,
কিন্তু হঠাৎ করে খাবারের ধরন পুরোপুরি বদলে ফেলবেন না। ধীরে ধীরে অভ্যাস করুন
যাতে শরীর সহজে মানিয়ে নিতে পারে। গরমে ঘাম হলে মুখ ধোয়ার পাশাপাশি হালকা কাপড়
পরুন এবং রোদে বের হলে সানস্ক্রিন লাগাতে ভুলবেন না। এই ছোট ছোট সাবধানতা মেনে
চললে ডায়েটের ফল আরও ভালো পাবেন।
দীর্ঘমেয়াদী ফলাফলের কথা বললে বলতে হয় ধৈর্য ধরে চালিয়ে যাওয়াটাই আসল চাবিকাঠি।
দুই-তিন মাস নিয়মিত এই ডায়েট অনুসরণ করলে ত্বকের অবস্থা একেবারে বদলে যায়। ব্রণের
পুনরাবৃত্তি অনেক কমে, ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল হয় এবং ঘামের কারণে যে জ্বালা লাগত
সেটাও চলে যায়। শুধু ত্বক নয়, শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্যও ভালো থাকে। অনেকে
দেখেছেন যে এই অভ্যাস চালিয়ে গেলে গরমের সময়ও ত্বক সুস্থ থাকে এবং আত্মবিশ্বাস
বেড়ে যায়। ফলাফল স্থায়ী করতে চাইলে ডায়েটকে জীবনের অংশ করে নিন, মাঝে মাঝে ছোট
ছোট পরিবর্তন করে চালিয়ে যান।
আর্টিকেলটি পড়ে যদি ভালো লাগে তাহলে নিচে কমেন্ট করে জানান আপনার অভিজ্ঞতা। আপনার
একটা ছোট কমেন্ট অনেককে উৎসাহিত করবে এবং ত্বকের যত্ন নেওয়ার পথে এগিয়ে যেতে
সাহায্য করবে।




ইনফোনেস্টইনের শর্তাবলী মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট পর্যাবেক্ষন করা হয়।
comment url