নকশিকাঁথা ম্যারাথনের তারিখ এবং ভেন্যু ২০২৬

নকশিকাঁথা ম্যারাথনের তারিখ এবং ভেন্যু ২০২৬ নিয়ে যারা অপেক্ষায় আছেন, তাদের জন্য থাকছে দরকারি সব আপডেট। কবে শুরু হবে, কোথায় জমবে দৌড়ের আসর-জেনে নিন এক নজরে। ভেন্যু, সম্ভাব্য সময় আর অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও থাকছে সহজ ভাষায়।
নকশিকাঁথা-ম্যারাথনের-তারিখ-এবং-ভেন্যু
প্রথমবার অংশ নেবেন? তাতেও চিন্তা নেই, আগে থেকেই জেনে নিন কী কী প্রস্তুতি লাগবে। একটু ভুল তথ্যের কারণে যেন সুযোগ হাতছাড়া না হয়, তাই পুরো তথ্য মিলিয়ে দেখুন। দৌড়প্রেমীরা গাইডটি দেখে নিন-ম্যারাথনের দিন দেখা হতে পারে!

পোস্ট সূচিপত্রঃ নকশিকাঁথা ম্যারাথনের তারিখ এবং ভেন্যু ২০২৬

নকশিকাঁথা ম্যারাথনের তারিখ এবং ভেন্যু ২০২৬

নকশিকাঁথা ম্যারাথনের তারিখ এবং ভেন্যু ২০২৬ নিয়ে কথা বলার সময় চলে এসেছে। আপনি কি জানেন, বাংলাদেশের রানিং কমিউনিটিতে এই ইভেন্টটা এখন বেশ আলোচিত। বছরের পর বছর ধরে দেশের দৌড়বিদরা এই ম্যারাথনটার জন্য অপেক্ষা করেন। ২০২৬ সালের আসরটা আরও বড় আয়োজনে হতে যাচ্ছে। আমি এখন আপনাকে সব ডিটেইলস এক এক করে বলছি।

  • তারিখ ও সময়ঃ ২০২৬ সালের ২৮ আগস্ট, শুক্রবার-এই দিনটা আপনার ক্যালেন্ডারে গোল চিহ্ন দিয়ে রাখুন। সকাল পাঁচটা বিশ মিনিটে ১৫ কিলোমিটার রেস শুরু হবে। তার ঠিক দশ মিনিট পর, অর্থাৎ পাঁচটা তিরিশ মিনিটে, ৭.৫ কিলোমিটার রেস শুরু হবে। রিপোর্টিং টাইম রাখা হয়েছে ভোর চারটা পঞ্চাশ মিনিট। ঠিক আছে তো? ভোরের আলো ফোটার আগেই আপনাকে সেখানে উপস্থিত হতে হবে।
  • ভেন্যুঃ এবারের আসরটি হচ্ছে ঢাকার হাতিরঝিলে। হ্যাঁ, আপনি ঠিকই পড়লেন। হাতিরঝিল অ্যামফিথিয়েটার এলাকায় এই ম্যারাথনটি অনুষ্ঠিত হবে। ভোরবেলা হাতিরঝিলের জলাশয়ের পাশ দিয়ে দৌড়ানোর অভিজ্ঞতা বেশ অন্যরকম। বাতাসে একটা তাজা ভাব থাকে। পাখির ডাক শোনা যায়। দৌড় শেষে সূর্যোদয় দেখার সুযোগটাও মিস করবেন না।
  • বিশেষত্বঃ এটা বাংলাদেশের প্রথম নকশিকাঁথা থিমভিত্তিক রানিং উৎসব। নকশিকাঁথার সেই পুরনো ঐতিহ্য আর দৌড়ের আধুনিক উদ্যম-দুইটা মিলিয়ে একটা সুন্দর সমন্বয় তৈরি করেছে আয়োজকরা। রেস কিট থেকে শুরু করে মেডেল পর্যন্ত সবকিছুতে নকশিকাঁথার নকশার ছোঁয়া থাকবে। আপনি যদি এখনো রেজিস্ট্রেশন না করে থাকেন, তাহলে দেরি করবেন না। স্লট শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই নিজের জায়গাটা নিশ্চিত করে ফেলুন।

নকশিকাঁথা ম্যারাথন ২০২৬ কবে অনুষ্ঠিত হবে

নকশিকাঁথা ম্যারাথন ২০২৬ কবে অনুষ্ঠিত হবে-এই প্রশ্নটা এখন বাংলাদেশের রানিং কমিউনিটির মধ্যে বেশ জোরেশোরেই ঘুরছে। আমি আপনাকে সরাসরি উত্তরটা দিয়ে শুরু করি। ২০২৬ সালের ২৮ আগস্ট, শুক্রবার সকালে এই ম্যারাথনটি হাতিরঝিলে বসতে যাচ্ছে। সকাল পাঁচটা বিশ মিনিটে ১৫ কিলোমিটার রেসের গেট খুলবে। তার ঠিক দশ মিনিট পর, অর্থাৎ পাঁচটা তিরিশ মিনিটে, ৭.৫ কিলোমিটার রেস শুরু হবে। ভোর চারটা পঞ্চাশ মিনিটের মধ্যে আপনাকে হাতিরঝিল অ্যামফিথিয়েটার এলাকায় হাজির হতে হবে।
এবার একটু গল্পের ধরনে বলি। ভোরবেলা ঢাকার হাতিরঝিলে দাঁড়িয়ে থাকবেন। চারপাশে শুধু দৌড়বিদদের হাঁফানির শব্দ আর পায়ের তাল। বাতাসে একটা তাজা ভাব থাকবে। পাখির ডাক শোনা যাবে। হাতিরঝিলের জলাশয়ের পাশ দিয়ে দৌড়ানোর অভিজ্ঞতা বেশ অন্যরকম। দৌড় শেষে সূর্যোদয় দেখার সুযোগটাও মিস করবেন না। এটা বাংলাদেশের প্রথম নকশিকাঁথা থিমভিত্তিক রানিং উৎসব।

নকশিকাঁথার সেই পুরনো ঐতিহ্য আর দৌড়ের আধুনিক উদ্যম-দুইটা মিলিয়ে একটা সুন্দর সমন্বয় তৈরি করেছে আয়োজকরা। রেস কিট থেকে শুরু করে মেডেল পর্যন্ত সবকিছুতে নকশিকাঁথার নকশার ছোঁয়া থাকবে। আপনি যদি এখনো রেজিস্ট্রেশন না করে থাকেন, তাহলে দেরি করবেন না। স্লট শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই নিজের জায়গাটা নিশ্চিত করে ফেলুন। ২৮ আগস্টের সকালে হাতিরঝিলে দেখা হবে।

নকশিকাঁথা ম্যারাথন ২০২৬ কোথায় হবে

নকশিকাঁথা ম্যারাথন ২০২৬ কোথায় হবে-এই প্রশ্নটা এখন বাংলাদেশের রানিং কমিউনিটির মধ্যে বেশ জোরেশোরেই ঘুরছে। আমি আপনাকে সরাসরি উত্তরটা দিয়ে শুরু করি। এবারের আসরটি হচ্ছে ঢাকার হাতিরঝিলে। হ্যাঁ, আপনি ঠিকই পড়লেন। হাতিরঝিল অ্যামফিথিয়েটার এলাকায় এই ম্যারাথনটি অনুষ্ঠিত হবে। ভোরবেলা হাতিরঝিলের জলাশয়ের পাশ দিয়ে দৌড়ানোর অভিজ্ঞতা বেশ অন্যরকম। বাতাসে একটা তাজা ভাব থাকে। পাখির ডাক শোনা যায়। দৌড় শেষে সূর্যোদয় দেখার সুযোগটাও মিস করবেন না। এটা বাংলাদেশের প্রথম নকশিকাঁথা থিমভিত্তিক রানিং উৎসব। নকশিকাঁথার সেই পুরনো ঐতিহ্য আর দৌড়ের আধুনিক উদ্যম-দুইটা মিলিয়ে একটা সুন্দর সমন্বয় তৈরি করেছে আয়োজকরা।
নকশিকাঁথা-ম্যারাথনের-তারিখ-এবং-ভেন্যু
নকশিকাঁথা ম্যারাথনের তারিখ এবং ভেন্যু ২০২৬ নিয়ে কথা বলার সময় চলে এসেছে। আপনি কি জানেন, বাংলাদেশের রানিং কমিউনিটিতে এই ইভেন্টটা এখন বেশ আলোচিত। বছরের পর বছর ধরে দেশের দৌড়বিদরা এই ম্যারাথনটার জন্য অপেক্ষা করেন। ২০২৬ সালের আসরটা আরও বড় আয়োজনে হতে যাচ্ছে। রেস কিট থেকে শুরু করে মেডেল পর্যন্ত সবকিছুতে নকশিকাঁথার নকশার ছোঁয়া থাকবে। আপনি যদি এখনো রেজিস্ট্রেশন না করে থাকেন, তাহলে দেরি করবেন না। স্লট শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই নিজের জায়গাটা নিশ্চিত করে ফেলুন।

নকশিকাঁথা ম্যারাথনের রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম

নকশিকাঁথা ম্যারাথনের রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম-এইটা নিয়ে অনেকেই আমার কাছে জিজ্ঞেস করেন। আমি এক এক করে সবকিছু বলছি, কান পেতে শুনুন। প্রথমেই আপনাকে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। আয়োজকদের অফিসিয়াল GPassBD ওয়েবসাইটে গিয়ে ফর্ম পূরণ করুন। নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, ইমেইল-এইসব বেসিক তথ্য দিতে হবে। তারপর কোন ক্যাটাগরিতে দৌড়াবেন সেটা বেছে নিন। ১৫ কিলোমিটার নাকি ৭.৫ কিলোমিটার-আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিন। অভিজ্ঞ দৌড়বিদদের জন্য ১৫ কিলোমিটার। নতুনদের জন্য ৭.৫ কিলোমিটার বেশি উপযুক্ত। রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হবে অনলাইনেই। বিকাশ, নগদ, রকেট-যেকোনো মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন। 

পেমেন্ট সফল হলে কনফার্মেশন ইমেইল আসবে। সেটা ভালো করে সংরক্ষণ করে রাখুন। রেস ডে-তে সেটা দেখাতে হতে পারে। একটা বিষয় মাথায় রাখবেন। রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ আছে। স্লট লিমিটেড। আগে আসলে আগে পাবেন-এই নিয়মটাই কাজ করে। আমার এক বন্ধু গতবার একদিন দেরি করে রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে দেখে সব স্লট ফুল। তারপর থেকে সে আমাকে বলে, "ভাই, সময় মতো রেজিস্ট্রেশন কর, নইলে হাত মলবি।" রেস কিট কালেকশনের দিনও মনে রাখতে হবে। সাধারণত রেসের এক দুই দিন আগে নির্দিষ্ট লোকেশন থেকে কিট তুলতে হয়। কিটের মধ্যে থাকে বাইব নম্বর, টি-শার্ট, টাইমিং চিপ আর কিছু স্ন্যাকস। এই কিট ছাড়া রেসে অংশ নেওয়া যায় না। তাই কালেকশন ডে মিস করবেন না।

স্বাস্থ্য বিষয়ক একটা ছোট্ট ডিক্লারেশনও সই করতে হবে। আপনার শারীরিক অবস্থা দৌড়ানোর জন্য উপযুক্ত কিনা সেটা জানাতে হবে। কারণ নিজের সুরক্ষাটাই সবার আগে। কোনো জটিল রোগ থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিন। আমি আবার বলছি-দেরি করবেন না। ২৮ আগস্টের সকালে হাতিরঝিলের মাঠে আপনার জায়গা নিশ্চিত করুন। দৌড় শেষে মেডেল হাতে তুলে নেওয়ার অনুভূতিটা বেশ অন্যরকম। সেই অনুভূতি পেতে হলে আজই রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন।

ম্যারাথনে অংশ নিতে কত টাকা লাগবে

আমি সরাসরি উত্তরটা দিয়ে শুরু করি। ১৫ কিলোমিটার ক্যাটাগরির রেজিস্ট্রেশন ফি ১৫০০ টাকা। ৭.৫ কিলোমিটার ক্যাটাগরির ফি ১০০০ টাকা। এই টাকায় আপনি পাবেন রেস কিট, টি-শার্ট, টাইমিং চিপ, মেডেল আর রিফ্রেশমেন্ট। অনলাইনে বিকাশ, নগদ বা রকেট দিয়ে পেমেন্ট করতে পারবেন। পেমেন্ট সফল হলে কনফার্মেশন ইমেইল আসবে। সেটা ভালো করে সংরক্ষণ করে রাখুন। রেস ডে-তে সেটা দেখাতে হতে পারে। নকশিকাঁথা ম্যারাথনের তারিখ এবং ভেন্যু ২০২৬ নিয়ে কথা বলার সময় চলে এসেছে।
আপনি কি জানেন, বাংলাদেশের রানিং কমিউনিটিতে এই ইভেন্টটা এখন বেশ আলোচিত। বছরের পর বছর ধরে দেশের দৌড়বিদরা এই ম্যারাথনটার জন্য অপেক্ষা করেন। ২০২৬ সালের আসরটা আরও বড় আয়োজনে হতে যাচ্ছে। আমি আবার বলছি-দেরি করবেন না। স্লট লিমিটেড। আগে আসলে আগে পাবেন। আজই রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন।

নকশিকাঁথা ম্যারাথনের রুট ও দৌড়ের দূরত্ব

এই ম্যারাথনে দুইটা ক্যাটাগরি আছে। প্রথমটা ১৫ কিলোমিটার। দ্বিতীয়টা ৭.৫ কিলোমিটার। আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী যেকোনো একটা বেছে নিতে পারেন। অভিজ্ঞ দৌড়বিদদের জন্য ১৫ কিলোমিটার চ্যালেঞ্জিং। নতুনদের জন্য ৭.৫ কিলোমিটার বেশি উপযুক্ত। রুটটা ঢাকার হাতিরঝিল অ্যামফিথিয়েটার এলাকা থেকে শুরু হবে। হাতিরঝিলের জলাশয়ের পাশ দিয়ে ঘুরে ঘুরে দৌড়বেন। রাস্তাটা মোটামুটি সমতল। বড় কোনো উঁচু-নিচু নেই। ভোরবেলা এই রুটে দৌড়ানোর অভিজ্ঞতা বেশ অন্যরকম। বাতাসে একটা তাজা ভাব থাকে। পাখির ডাক শোনা যায়। দৌড় শেষে সূর্যোদয় দেখার সুযোগটাও মিস করবেন না।
নকশিকাঁথা-ম্যারাথনের-তারিখ-এবং-ভেন্যু
প্রতি কিলোমিটারে ওয়াটার স্টেশন থাকবে। পানি, ইলেক্ট্রোলাইট, কিছু ফল-এইসব পাবেন। মেডিকেল টিমও থাকবে রাস্তার পাশে। কোনো সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক সাহায্য পাবেন। টাইমিং চিপ দিয়ে আপনার সময় রেকর্ড করা হবে। ফিনিশ লাইন পার হলেই মেডেল হাতে তুলে দেওয়া হবে। আমার এক বন্ধু গতবার ৭.৫ কিলোমিটার দৌড়েছিল। সে বলেছিল, "ভাই, হাতিরঝিলের পাশ দিয়ে দৌড়ানোর ফিলিংটা আলাদাই। মনে হয় না ঢাকায় আছি।" আমি বলব, আপনিও একবার ট্রাই করুন। নিজের পায়ের গতিতে হাতিরঝিলের সৌন্দর্য উপভোগ করুন। দৌড় শেষে মেডেল হাতে তুলে নেওয়ার অনুভূতিটা বেশ অন্যরকম। সেই অনুভূতি পেতে হলে আজই রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন।

ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কী কী থাকবে

ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কী কী থাকবে-এই প্রশ্নটা এখন অনেকের মনেই ঘুরছে। আমি সরাসরি উত্তরটা দিয়ে শুরু করি। নকশিকাঁথা ম্যারাথনের তারিখ এবং ভেন্যু ২০২৬ নিয়ে কথা বলার সময় চলে এসেছে। আপনি কি জানেন, বাংলাদেশের রানিং কমিউনিটিতে এই ইভেন্টটা এখন বেশ আলোচিত। বছরের পর বছর ধরে দেশের দৌড়বিদরা এই ম্যারাথনটার জন্য অপেক্ষা করেন। ২০২৬ সালের আসরটা আরও বড় আয়োজনে হতে যাচ্ছে। প্রতি অংশগ্রহণকারী পাবেন রেস কিট, টি-শার্ট, টাইমিং চিপ, মেডেল আর রিফ্রেশমেন্ট। 

রাস্তায় প্রতি কিলোমিটারে ওয়াটার স্টেশন থাকবে। মেডিকেল টিমও থাকবে পাশে। ফিনিশ লাইন পার হলেই মেডেল হাতে তুলে দেওয়া হবে। রেস কিটে থাকবে নকশিকাঁথা থিমের টি-শার্ট, বাইব নম্বর, কিছু স্ন্যাকস আর টাইমিং চিপ। দৌড় শেষে সূর্যোদয় দেখার সুযোগটাও মিস করবেন না। আমি আবার বলছি-দেরি করবেন না। স্লট লিমিটেড। আজই রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন।

নকশিকাঁথা ম্যারাথনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি

প্রথমেই শারীরিক প্রস্তুতিটা নিতে হবে। দৌড় শুরু করুন ধীরে ধীরে। প্রতিদিন কিছুটা সময় হাঁটুন। তারপর ধীরে ধীরে জগিং শুরু করুন। এক সপ্তাহে তিন-চার দিন অন্তত বিশ-তিরিশ মিনিট দৌড়ান। শরীরটা অভ্যস্ত হয়ে যাক। হঠাৎ করে বেশি দৌড়ালে পায়ে ব্যথা হতে পারে। আমার এক বন্ধু গতবার প্রস্তুতি ছাড়াই নেমে পড়েছিল। পরে তিন দিন পায়ে ব্যথা নিয়ে ঘরে বসে ছিল। তাই আমি বলব, ধৈর্য ধরুন। একদিনে ম্যারাথনার হওয়া যায় না। খাওয়া-দাওয়ার দিকেও নজর দিন। প্রচুর পানি পান করুন। দেহে পানির অভাব হলে দৌড়ের সময় হাঁফ ধরে যাবে। কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার বেশি খান। ভাত, রুটি, আলু-এইসব শক্তি জোগাবে। তৈলাক্ত খাবার কমিয়ে দিন। রাতের খাবার হালকা রাখুন। 

দৌড়ের আগের রাতে ভালো ঘুমটা জরুরি। কমপক্ষে সাত-আট ঘণ্টা ঘুমান। নইলে পরদিন সকালে চোখ ঘুমে ভারী থাকবে। পোশাক ও জুতোর ব্যাপারটাও গুরুত্বপূর্ণ। আরামদায়ক জুতো পরুন। নতুন জুতো দৌড়ের দিন পরবেন না। কমপক্ষে দুই-তিন সপ্তাহ আগে থেকে সেই জুতো পরে অভ্যস্ত হন। নতুন জুতোতে পায়ে ছাল ওঠার ঝুঁকি থাকে। টি-শার্ট হালকা ও ঘাম শোষণ করতে পারে এমনটা বেছে নিন। ভোরের হালকা ঠাণ্ডায় একটা লাইট জ্যাকেট পরতে পারেন। দৌড় শুরুর পর গরম লাগলে খুলে কোমরে বেঁধে নিতে পারেন। রেস ডে-র আগের দিন সবকিছু গুছিয়ে রাখুন। বাইব নম্বর, টাইমিং চিপ, পানির বোতল, একটা ছোট তোয়ালে, অতিরিক্ত জুতোর লেস-এইসব এক জায়গায় রাখুন।
সকালে ঘুম থেকে উঠে হুড়োহুড়ি করতে হবে না। ভোর চারটা পঞ্চাশ মিনিটের মধ্যে হাতিরঝিলে পৌঁছাতে হবে। তাই অন্তত এক ঘণ্টা আগে বাড়ি থেকে বের হন। রাস্তায় জ্যাম থাকতে পারে। সময় হাতে রাখুন। দৌড়ের সময় একটা কথা মাথায় রাখবেন। নিজের গতিতে দৌড়ান। অন্যের পেছনে ছুটবেন না। শুরুতে বেশি জোরে দৌড়ালে শেষে হাঁপিয়ে উঠবেন। আমার এক কাকা বলতেন, "দৌড়ে জেতার চেয়ে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকাটাই বড় কথা।" 

প্রতি কিলোমিটারে ওয়াটার স্টেশনে একটু পানি খান। শরীরকে হাইড্রেটেড রাখুন। পায়ে ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট হলে মেডিকেল টিমের কাছে যান। জোর করে চাপ দেওয়ার দরকার নেই। প্রস্তুতি নিয়ে ২৮ আগস্টের সকালে হাতিরঝিলে দাঁড়ান। ভোরের আলোয় জলাশয়ের পাশ দিয়ে দৌড়ান। পাখির ডাক শুনুন। দৌড় শেষে মেডেল হাতে তুলে নিন। সেই অনুভূতি একবার পেলে বারবার ফিরে আসতে ইচ্ছে করবে। আমি আবার বলছি-আজই প্রস্তুতি শুরু করুন। দেরি করবেন না।

ম্যারাথনের দিন কখন ও কোথায় পৌঁছাবেন

২০২৬ সালের ২৮ আগস্ট, শুক্রবার সকালে আপনাকে হাতিরঝিলে হাজির হতে হবে। ভোর চারটা পঞ্চাশ মিনিটের মধ্যে হাতিরঝিল অ্যামফিথিয়েটার এলাকায় উপস্থিত হন। নকশিকাঁথা ম্যারাথনের তারিখ এবং ভেন্যু ২০২৬ নিয়ে কথা বলার সময় চলে এসেছে। আপনি কি জানেন, বাংলাদেশের রানিং কমিউনিটিতে এই ইভেন্টটা এখন বেশ আলোচিত। বছরের পর বছর ধরে দেশের দৌড়বিদরা এই ম্যারাথনটার জন্য অপেক্ষা করেন। ২০২৬ সালের আসরটা আরও বড় আয়োজনে হতে যাচ্ছে। সকাল পাঁচটা বিশ মিনিটে ১৫ কিলোমিটার রেস শুরু হবে। 

পাঁচটা তিরিশ মিনিটে ৭.৫ কিলোমিটার রেস শুরু হবে। অন্তত এক ঘণ্টা আগে বাড়ি থেকে বের হন। রাস্তায় জ্যাম থাকতে পারে। সময় হাতে রাখুন। ভোরবেলা হাতিরঝিলের জলাশয়ের পাশ দিয়ে দৌড়ানোর অভিজ্ঞতা বেশ অন্যরকম। বাতাসে একটা তাজা ভাব থাকে। পাখির ডাক শোনা যায়। দৌড় শেষে সূর্যোদয় দেখার সুযোগটাও মিস করবেন না। আমি আবার বলছি-দেরি করবেন না। আজই প্রস্তুতি শুরু করুন।

শেষ কথাঃ লেখকের মন্তব্য

আপনারা যারা এতক্ষণ ধৈর্য ধরে পড়লেন, তাদের জন্য একটা কথা রেখেছিলাম। আমি প্রথমে ভেবেছিলাম ম্যারাথন মানে শুধু দৌড়ানো। কিন্তু নকশিকাঁথা ম্যারাথন দেখে বুঝলাম, এটা আসলে একটা উৎসব। নকশিকাঁথার সেই পুরনো ঐতিহ্য আর দৌড়ের আধুনিক উদ্যম-দুইটা মিলিয়ে একটা সুন্দর সমন্বয় তৈরি করেছে আয়োজকরা। ভোরবেলা হাতিরঝিলের জলাশয়ের পাশ দিয়ে দৌড়ানোর অভিজ্ঞতা বেশ অন্যরকম। বাতাসে একটা তাজা ভাব থাকে। পাখির ডাক শোনা যায়। দৌড় শেষে সূর্যোদয় দেখার সুযোগটাও মিস করবেন না।

আমার এক বন্ধু গতবার ৭.৫ কিলোমিটার দৌড়েছিল। সে বলেছিল, "ভাই, হাতিরঝিলের পাশ দিয়ে দৌড়ানোর ফিলিংটা আলাদাই। মনে হয় না ঢাকায় আছি।" আমি বলব, আপনিও একবার ট্রাই করুন। নিজের পায়ের গতিতে হাতিরঝিলের সৌন্দর্য উপভোগ করুন। দৌড় শেষে মেডেল হাতে তুলে নেওয়ার অনুভূতিটা বেশ অন্যরকম। সেই অনুভূতি পেতে হলে আজই রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন। আর একটা কথা। ম্যারাথন মানে শুধু জেতা নয়। শেষ পর্যন্ত টিকে থাকাটাই বড় কথা। নিজের গতিতে দৌড়ান।

অন্যের পেছনে ছুটবেন না। শরীরকে শুনুন। পায়ে ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট হলে থেমে যান। মেডিকেল টিমের কাছে যান। কারণ নিজের সুরক্ষাটাই সবার আগে। ২০২৬ সালের ২৮ আগস্ট, শুক্রবার সকালে হাতিরঝিলে দেখা হবে। ভোর চারটা পঞ্চাশ মিনিটের মধ্যে হাজির হন। সকাল পাঁটা বিশ মিনিটে ১৫ কিলোমিটার রেস শুরু হবে। পাঁচটা তিরিশ মিনিটে ৭.৫ কিলোমিটার রেস শুরু হবে। সময় মতো পৌঁছান। রেস কিট, টি-শার্ট, টাইমিং চিপ-সবকিছু গুছিয়ে রাখুন। আর হ্যাঁ, নতুন জুতো পরবেন না। কমপক্ষে দুই-তিন সপ্তাহ আগে থেকে সেই জুতো পরে অভ্যস্ত হন।

আমি আবার বলছি-দেরি করবেন না। স্লট লিমিটেড। আগে আসলে আগে পাবেন। আজই রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন। ২৮ আগস্টের সকালে হাতিরঝিলের মাঠে আপনার জায়গা নিশ্চিত করুন। দৌড় শেষে মেডেল হাতে তুলে নেওয়ার অনুভূতিটা বেশ অন্যরকম। সেই অনুভূতি একবার পেলে বারবার ফিরে আসতে ইচ্ছে করবে। ভালো থাকবেন। দৌড়ে মজা পাবেন। আল্লাহ হাফেজ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ইনফোনেস্টইনের শর্তাবলী মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট পর্যাবেক্ষন করা হয়।

comment url

Author Bio

Author
Akther Hossain

একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও ইনফোনেস্টইন লিমিটেড এর সিইও। SEO, ব্লগিং, অনলাইন ইনকাম ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। তার লক্ষ্য – পাঠকদের ডিজিটাল ক্যারিয়ারে সফল হতে সহায়তা করা।