Windows 10/11 বুট টাইম কমানোর বেস্ট সেটিংস
পিসি অন হতে কি এখনো মিনিটের পর মিনিট লাগছে? বিরক্ত লাগছেই! জানুন Windows 10/11
বুট টাইম কমানোর বেস্ট সেটিংস সহজ ধাপে। তোমার কম্পিউটারকে করো সুপার
ফাস্ট-স্টার্টআপ অপটিমাইজেশন, সিক্রেট সেটিংস আর পারফরম্যান্স বুস্ট টিপস এক
জায়গায়।
এখানে আমি ফোকাস করব Windows 10/11 বুট টাইম কমানোর বেস্ট সেটিংস নিয়ে, যা আপনার
কম্পিউটারকে আরও স্মুথ এবং দক্ষ করে তুলবে। শুরু করার আগে মনে রাখবেন, এই
পরিবর্তনগুলো করার সময় সতর্ক থাকুন এবং যদি সম্ভব হয় তাহলে একটা সিস্টেম
রিস্টোর পয়েন্ট তৈরি করে নিন।
পোস্ট সূচিপত্রঃ Windows 10/11 বুট টাইম কমানোর বেস্ট সেটিংস
ভূমিকাঃ কেন বুট টাইম কমানো দরকার?
প্রথমেই বলে রাখি, Windows 10/11 বুট টাইম কমানোর বেস্ট সেটিংস গুলো প্রয়োগ করার
আগে আপনার সিস্টেমের ব্যাকআপ নেয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যদি কোনো ভুল হয়ে
যায়, তাহলে আপনি সহজেই পুরনো অবস্থায় ফিরে যেতে পারবেন। এখন চলুন বিস্তারিত
আলোচনায় যাই, যাতে আপনি প্রত্যেক ধাপকে ভালোভাবে বুঝতে পারেন এবং নিজের সিস্টেমে
প্রয়োগ করতে পারেন।
আমরা সবাই চাই আমাদের কম্পিউটার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চালু হোক, কারণ সময় তো সবার
কাছে মূল্যবান। যদি আপনার ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ বুট হতে ৩০ সেকেন্ডের বেশি সময়
নেয়, তাহলে সেটা না শুধু আপনার ধৈর্যের পরীক্ষা নেয়, বরং প্রতিদিনের কাজের
প্রোডাক্টিভিটিকেও কমিয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি একজন স্টুডেন্ট হন এবং
অনলাইন ক্লাসের জন্য তাড়াতাড়ি কম্পিউটার চালু করতে চান, অথবা একজন প্রফেশনাল
যিনি মিটিংয়ের আগে ফাইল খুলতে চান, তাহলে এই অপেক্ষার সময়টা সত্যিই বিরক্তিকর।
Windows 10/11 বুট টাইম কমানোর বেস্ট সেটিংস ব্যবহার করে আপনি এই সময়কে সহজেই
১০-১৫ সেকেন্ডে নামিয়ে আনতে পারেন, যা আপনার সামগ্রিক অভিজ্ঞতাকে অনেক উন্নত
করে। আমি নিজে এই সেটিংসগুলো প্রয়োগ করে দেখেছি, এবং ফলাফলটা সত্যিই চমৎকার-আমার
পুরনো ল্যাপটপ যা আগে ৪৫ সেকেন্ড নিত, এখন মাত্র ১৮ সেকেন্ডে চালু হয়।
এছাড়া, এই অপটিমাইজেশনগুলো শুধু বুট টাইম কমায় না, বরং সিস্টেমের সামগ্রিক
পারফরম্যান্সকেও বাড়ায়, যেমন অ্যাপস দ্রুত খোলে এবং মাল্টিটাস্কিং স্মুথ হয়।
তাই যদি আপনি এই সমস্যায় ভুগছেন, তাহলে এই লেখাটা পড়ে শেষ করুন এবং ধাপগুলো
অনুসরণ করুন।
ফাস্ট স্টার্টআপ চালু করুন
এটা একটা খুব সহজ কিন্তু অত্যন্ত কার্যকরী উপায় যা অনেক ব্যবহারকারী উপেক্ষা
করে। উইন্ডোজে ফাস্ট স্টার্টআপ নামে একটা ফিচার আছে, যা শাটডাউনের সময় সিস্টেমের
কার্নেল, ড্রাইভার এবং কিছু মৌলিক ফাইলগুলোকে হাইবারনেট মোডে সেভ করে রাখে। ফলে
যখন আপনি পরের বার কম্পিউটার চালু করেন, তাহলে এগুলোকে নতুন করে লোড করতে হয় না,
বরং দ্রুত রিস্টোর হয়ে যায়। এটি চালু করতে প্রথমে Settings অ্যাপ খুলুন, তারপর
System > Power & Sleep > Additional Power Settings এ যান। সেখান থেকে
Choose what the power buttons do অপশনে ক্লিক করুন এবং Turn on fast startup
অপশনটাকে চেক করুন। যদি এটা গ্রে আউট হয়ে থাকে, তাহলে উপরের Change settings
that are currently unavailable লিঙ্কে ক্লিক করে অ্যাডমিন প্রিভিলেজ নিন। এই
সেটিংটা প্রয়োগ করার পর আপনি দেখবেন যে বুট টাইম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে,
বিশেষ করে যদি আপনার সিস্টেমে SSD থাকে।
আমার অভিজ্ঞতায়, এটা Windows 10/11 বুট টাইম কমানোর বেস্ট সেটিংস গুলোর মধ্যে
একটা প্রধান, কারণ এটা মাইক্রোসফটের নিজস্ব ফিচার এবং কোনো থার্ড-পার্টি
সফটওয়্যারের দরকার হয় না। তবে মনে রাখবেন, যদি আপনি ডুয়াল-বুট সিস্টেম
ব্যবহার করেন (যেমন উইন্ডোজ এবং লিনাক্স একসাথে), তাহলে এটা কখনো কখনো সমস্যা
তৈরি করতে পারে, তাই সেক্ষেত্রে এটি অফ করে দেখুন। সামগ্রিকভাবে, এই ফিচারটা
চালু করলে আপনার কম্পিউটারের স্টার্টআপ প্রক্রিয়া অনেক স্মুথ হয়ে যাবে।
আরো পড়ুনঃ
৪০ হাজার টাকার গেমিং বাজেট পিসি বিল্ড
অপ্রয়োজনীয় স্টার্টআপ প্রোগ্রাম বন্ধ করুন
অনেক প্রোগ্রাম ইনস্টল করার সময় অটোমেটিকভাবে সেট হয়ে যায় যাতে সিস্টেম চালু
হওয়ার সাথে সাথে তারা লোড হয়, এবং এটাই বুট টাইমকে সবচেয়ে বেশি ধীর করে।
উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি Spotify, Dropbox বা কোনো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
ইনস্টল করেন, তাহলে সেগুলো পটভূমিতে চলতে শুরু করে এবং CPU এবং RAM এর রিসোর্স
খরচ করে। এগুলো বন্ধ করতে Task Manager খুলুন (Ctrl + Shift + Esc চাপুন) এবং
Startup ট্যাবে যান। সেখানে আপনি দেখবেন একটা লিস্ট যাতে প্রত্যেক প্রোগ্রামের
নাম, স্ট্যাটাস এবং তাদের ইমপ্যাক্ট লেভেল (যেমন High, Medium বা Low) দেখানো
আছে। যে প্রোগ্রামগুলো আপনার প্রতিদিনের দরকার নেই, সেগুলোতে রাইট-ক্লিক করে
Disable করুন। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি প্রতিদিন Adobe Creative Cloud ব্যবহার না
করেন, তাহলে সেটা বন্ধ করে দিন-এতে আপনার সিস্টেমের লোড অনেক কমবে এবং বুট দ্রুত
হবে।
আমি দেখেছি যে এই ধাপটা অনেকের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজ করে, কারণ সময়ের সাথে সাথে
প্রোগ্রামগুলো অজান্তেই জমা হয়ে যায় এবং পটভূমিতে চলতে থাকে। যদি আপনি উইন্ডোজ
11 ব্যবহার করেন, তাহলে এখানে আরও অ্যাডভান্সড অপশন আছে যেমন প্রোগ্রামের
প্রায়োরিটি সেট করা। এছাড়া, যদি কোনো প্রোগ্রাম Disable করার পরও সমস্যা হয়,
তাহলে আপনি সেটাকে পরে Enable করে দেখতে পারেন। এই স্টেপটা করে আপনি সহজেই ১০-২০
সেকেন্ড সেভ করতে পারবেন।
ড্রাইভার এবং উইন্ডোজ আপডেট রাখুন
পুরনো ড্রাইভার বা উইন্ডোজের ভার্সনগুলো অনেক সময় বুট প্রক্রিয়াকে ধীর করে
দেয়, কারণ সেগুলোতে বাগ বা অপটিমাইজেশনের অভাব থাকে। তাই নিয়মিত আপডেট চেক করা
খুব জরুরি। প্রথমে Settings > Update & Security > Windows Update এ
যান এবং Check for updates বাটনে ক্লিক করুন-এখানে উইন্ডোজ নিজে থেকে নতুন ভার্সন
বা সিকিউরিটি প্যাচ ডাউনলোড করে ইনস্টল করবে। ড্রাইভারের জন্য Device Manager
খুলুন (Win + X চাপুন এবং Device Manager সিলেক্ট করুন), তারপর প্রত্যেক ডিভাইস
ক্যাটাগরিতে (যেমন Display adapters, Network adapters) রাইট-ক্লিক করে Update
driver > Search automatically for drivers সিলেক্ট করুন। যদি আপনার গ্রাফিক্স
কার্ড (যেমন NVIDIA বা AMD) বা মাদারবোর্ডের ড্রাইভার আপডেট না হয়, তাহলে সেটা
বুটের সময় হার্ডওয়্যার ডিটেকশনকে ধীর করে দিতে পারে।
এছাড়া, যদি আপনি ম্যানুয়ালি আপডেট করতে চান, তাহলে ম্যানুফ্যাকচারারের
ওয়েবসাইট থেকে লেটেস্ট ড্রাইভার ডাউনলোড করুন। এই আপডেটগুলো Windows 10/11 বুট
টাইম কমানোর বেস্ট সেটিংস এর একটা অপরিহার্য অংশ, কারণ নতুন ভার্সনে মাইক্রোসফট
অপটিমাইজেশন যোগ করে যা সিস্টেমের স্পিড বাড়ায়। আমার একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করি:
আমার ল্যাপটপের Wi-Fi ড্রাইভার পুরনো ছিল, আপডেট করার পর বুট টাইম ১৫ সেকেন্ড কমে
গেছে। তাই মাসে অন্তত একবার এই চেক করুন।
BIOS/UEFI সেটিংস অ্যাডজাস্ট করুন
আপনার কম্পিউটারের BIOS বা UEFI (যা মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার) এ কিছু সেটিংস
আছে যা সরাসরি বুট প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। সিস্টেম চালু করার সময় Del, F2 বা
F10 কী (আপনার মডেল অনুসারে) চাপুন এবং BIOS মেনুতে প্রবেশ করুন। সেখানে Boot
ট্যাবে গিয়ে Fast Boot বা Quick Boot অপশন খুঁজুন এবং এটাকে Enable করুন-এটা
অপ্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার চেকগুলো স্কিপ করে বুটকে দ্রুত করে। যদি আপনার AMD বা
Intel প্রসেসর থাকে, তাহলে অতিরিক্ত অপশন যেমন Secure Boot বা TPM চেক করুন, কারণ
সেগুলো কখনো কখনো অতিরিক্ত সময় নেয়। সাবধানতা অবলম্বন করুন, কারণ BIOS-এ ভুল
সেটিং পরিবর্তন করলে সিস্টেম বুট না হতে পারে-তাই শুধু যা জানেন সেটাই পরিবর্তন
করুন এবং যদি অনিশ্চিত হন তাহলে ডিফল্ট সেটিংসে রিসেট করুন।
এই ধাপটা উন্নত ব্যবহারকারীদের জন্য বেশি উপযোগী, কিন্তু এটা Windows 10/11 বুট
টাইম কমানোর বেস্ট সেটিংস গুলোতে অনেক সাহায্য করে, বিশেষ করে যদি আপনার
হার্ডওয়্যার নতুন হয়। আমি দেখেছি যে পুরনো BIOS ভার্সন আপডেট করলে আরও ভালো ফল
পাওয়া যায়, তাই মাদারবোর্ড ম্যানুফ্যাকচারারের সাইট থেকে চেক করুন।
SSD অপটিমাইজ করুন
যদি আপনার কম্পিউটারে এখনও ট্র্যাডিশনাল HDD থাকে, তাহলে SSD-তে আপগ্রেড করা
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনবে, কারণ SSD-এর রিড/রাইট স্পিড HDD-এর তুলনায় অনেক গুণ
বেশি। যদি ইতিমধ্যে SSD থাকে, তাহলে নিশ্চিত করুন যে TRIM ফিচার চালু আছে (যা
উইন্ডোজে ডিফল্টভাবে থাকে) এবং BIOS-এ AHCI মোড সেট করা। SSD-এ ডিস্ক
ডিফ্র্যাগমেন্ট করবেন না, কারণ সেটা SSD-এর লাইফস্প্যান কমায় – পরিবর্তে,
Search-এ Optimize Drives টাইপ করে টুলটা খুলুন এবং আপনার ড্রাইভ অপটিমাইজ করুন।
এতে বুট টাইম মিনিট থেকে সেকেন্ডে চলে আসবে। আমার এক বন্ধুর ক্ষেত্রে, HDD থেকে
SSD-তে সুইচ করার পর বুট টাইম ২ মিনিট থেকে ১২ সেকেন্ডে নেমে এসেছে। এছাড়া, যদি
আপনার সিস্টেমে NVMe SSD থাকে, তাহলে PCIe লেন চেক করুন যাতে সেটা ফুল স্পিডে
চলে। এই অপটিমাইজেশনটা হার্ডওয়্যার-ভিত্তিক, তাই যদি বাজেট থাকে তাহলে SSD কেনা
বিবেচনা করুন।
ডিস্ক ক্লিনআপ এবং ম্যালওয়্যার স্ক্যান
অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো যেমন টেম্পোরারি ফাইল, ক্যাশ এবং ওল্ড উইন্ডোজ ইনস্টলেশন
ফাইলগুলো ডিস্কে জমে থাকলে সিস্টেমের লোড বাড়ায় এবং বুট ধীর হয়। Disk Cleanup
টুল চালান (Search-এ disk cleanup টাইপ করুন) এবং সেখানে Temporary files, System
files এবং Recycle Bin সিলেক্ট করে Clean up system files ক্লিক করুন – এতে
গিগাবাইটস ফাইল মুছে যাবে। এছাড়া, Windows Defender দিয়ে ফুল স্ক্যান করুন
(Settings > Update & Security > Windows Security > Virus &
threat protection > Scan options > Full scan) যাতে কোনো ম্যালওয়্যার বা
স্পাইওয়্যার না থাকে, কারণ সেগুলো পটভূমিতে চললে বুট টাইম অনেক বাড়ায়। যদি
আপনি থার্ড-পার্টি অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করেন, তাহলে সেটাকেও স্ক্যান করান। এই
সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণ Windows 10/11 বুট টাইম কমানোর বেস্ট সেটিংস এর একটা
গুরুত্বপূর্ণ অংশ, কারণ ক্লিন সিস্টেম সবসময় দ্রুত চলে। আমি সাজেস্ট করব মাসে
একবার এই প্রক্রিয়া করুন।
পাওয়ার অপশন পরিবর্তন করুন
উইন্ডোজের ডিফল্ট পাওয়ার প্ল্যান Balanced হয়, যা পাওয়ার সেভ করার জন্য
সিস্টেমের স্পিড কিছুটা কমিয়ে রাখে। কিন্তু যদি আপনি High Performance মোডে সুইচ
করেন, তাহলে CPU এবং অন্যান্য কম্পোনেন্টস ফুল স্পিডে চলে এবং বুট লোড দ্রুত হয়।
Control Panel > Hardware and Sound > Power Options এ যান এবং High
Performance সিলেক্ট করুন। ল্যাপটপে এটা ব্যাটারি খরচ বাড়াতে পারে, তাই যদি আপনি
মোবাইলিটি প্রায়োরিটি দেন তাহলে Balanced-এ থাকুন, কিন্তু ডেস্কটপের জন্য এটা
আইডিয়াল। এছাড়া, অ্যাডভান্সড পাওয়ার সেটিংসে গিয়ে Processor power management
> Minimum processor state কে ১০০% সেট করুন। এই অপশনটা অনেকে উপেক্ষা করে,
কিন্তু এটা সত্যিই কাজ করে এবং বুটের সময় কমায়।
আরো পড়ুনঃ
জিপি 4G নেট না ধরলে APN সেটিংস পরিবর্তন
উপসংহারঃ সবকিছু একসাথে প্রয়োগ করুন
এই সব ধাপগুলো একসাথে প্রয়োগ করলে আপনার সিস্টেম অনেক দ্রুত এবং দক্ষ হয়ে উঠবে,
এবং আপনি দেখবেন যে বুট টাইম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। মনে রাখবেন, Windows
10/11 বুট টাইম কমানোর বেস্ট সেটিংস গুলো নিয়মিত চেক করুন এবং রক্ষণাবেক্ষণ
করুন, কারণ নতুন প্রোগ্রাম ইনস্টল বা আপডেটের সাথে সমস্যা ফিরে আসতে পারে। যদি
এখনও সমস্যা থাকে, তাহলে একটা SSD কেনা বা প্রফেশনাল সাহায্য নেয়া বিবেচনা করুন।
আশা করি এই লেখাটা আপনার কাজে লাগবে এবং আপনার কম্পিউটারকে আরও ভালো করে তুলবে।
যদি কোনো প্রশ্ন থাকে বা অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চান, তাহলে কমেন্ট করুন!











ইনফোনেস্টইনের শর্তাবলী মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট পর্যাবেক্ষন করা হয়।
comment url