ছাত্রদের জন্য ঝটপট রান্নার রেসিপি বাংলা
হোস্টেলে থেকেও ভালো খাবার খেতে মন চায়? এই বাংলা ঝটপট রেসিপিগুলো জানলে কম সময়
আর কম খরচেই বানাতে পারবে দারুণ সুস্বাদু খাবার। ছাত্রদের জন্য সহজ,
বাজেট-ফ্রেন্ডলি রান্নার গোপন টিপস ও কুইক আইডিয়া এখনই দেখো!
আমি চেষ্টা করেছি যাতে প্রত্যেক রেসিপিতে পুষ্টির দিকটাও খেয়াল রাখা হয়, কারণ
ছাত্রদের তো শরীর সুস্থ রাখা দরকার। এই ছাত্রদের জন্য ঝটপট রান্নার রেসিপি বাংলা
আর্টিকেলটি পড়ে আপনি যদি অন্তত একটা রেসিপি ট্রাই করেন, তাহলে আমার লেখা সার্থক
হবে। চলুন শুরু করি!
পোস্ট সূচিপত্রঃ ছাত্রদের জন্য ঝটপট রান্নার রেসিপি বাংলা
ভূমিকা
ছাত্রজীবনটা সত্যিই একটা চ্যালেঞ্জিং সময়, যেখানে সকাল থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত
পড়াশোনা, ক্লাস, লেকচার নোটস তৈরি করা, গ্রুপ প্রজেক্ট, আর এক্সামের প্রস্তুতি
নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। এর মধ্যে খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারটা প্রায়ই অবহেলিত হয়ে যায়,
কারণ হোস্টেল বা মেসের খাবার তো সবসময় একই রকম-কখনো অতিরিক্ত তেলযুক্ত, কখনো
স্বাদহীন, আর কখনো সময়মতো পাওয়া যায় না। কিন্তু শরীর সুস্থ না থাকলে পড়াশোনায় মন
বসবে কী করে? আমি নিজে যখন কলেজে পড়তাম, তখন অনেকবার এমন হয়েছে যে রাত জেগে
অ্যাসাইনমেন্ট করতে করতে হঠাৎ খিদে পেয়ে যায়, আর ক্যান্টিন তখন বন্ধ। সেই
অভিজ্ঞতা থেকেই শিখেছি কয়েকটা সহজসরল রান্নার কৌশল, যা না শুধু দ্রুত হয়, বরং
স্বাদে ভরপুর আর পুষ্টিকরও। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি ছাত্রদের জন্য ঝটপট
রান্নার রেসিপি বাংলা ভাষায়, যেগুলো বানাতে লাগবে সর্বোচ্চ ২০-২৫ মিনিট,
উপকরণগুলো পাওয়া যাবে কাছের ছোট দোকান বা সুপারমার্কেটে, আর রান্নার জন্য দরকার
হবে শুধু একটা গ্যাস স্টোভ বা ইন্ডাকশন, কড়াই আর কয়েকটা বেসিক যন্ত্রপাতি যা
হোস্টেলের কমন কিচেনে পাওয়া যায়।
এই রেসিপিগুলোতে আমি ফোকাস করেছি যাতে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন আর
মিনারেলের একটা ভালো ব্যালেন্স থাকে, কারণ ছাত্রদের তো মস্তিষ্ক আর শরীর দুটোই
সচল রাখতে হয়। যারা রান্নায় একদম নতুন, তাদের জন্যও এগুলো আইডিয়াল কারণ প্রত্যেক
স্টেপ আমি বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছি, আর কোনো জটিল টেকনিক নেই। এই ছাত্রদের
জন্য ঝটপট রান্নার রেসিপি বাংলা পড়ে যদি আপনি ভাবেন যে "আরে, এ তো আমিও করতে
পারি!", আর অন্তত একটা রেসিপি ট্রাই করে সফল হন, তাহলে আমার এই লেখা লেখার
উদ্দেশ্য সফল হবে। চলুন তাহলে শুরু করি, একটা একটা করে রেসিপি দেখে নেওয়া যাক, আর
মনে রাখবেন-রান্না করতে গিয়ে ভুল হলে চিন্তা নেই, সেটাই শেখার অংশ।
রেসিপি ১ঃ ঝটপট ডিম কারি
ডিম তো ছাত্রদের জন্য একটা আদর্শ উপকরণ-এটা সস্তায় পাওয়া যায়, ফ্রিজে লম্বা সময়
রাখা যায়, আর প্রোটিনে ভরপুর যা পড়াশোনার সময় মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। আমার
হোস্টেলের দিনগুলোতে এই ঝটপট ডিম কারি ছিল আমার গো-টু রেসিপি, বিশেষ করে যখন
বন্ধুরা মিলে গ্রুপ স্টাডি করে ফিরে এসে সবাই মিলে রান্না করতাম, কারণ এটা বানাতে
সময় লাগে মাত্র ১৫-২০ মিনিট আর স্বাদ হয় ঘরোয়া কারির মতো। উপকরণগুলো খুবই সাধারণ
এবং সহজলভ্যঃ ৪-৫টা ডিম, দুটো মাঝারি সাইজের পেঁয়াজ সূক্ষ্ম করে কুচিয়ে নিন, একটা
বড় টমেটো কুচি, ৩-৪ কোয়া রসুন আর এক ইঞ্চি আদা বাটা করে নিন (যদি রেডিমেড পেস্ট
থাকে তাহলে সেটাও চলবে), হলুদ গুঁড়ো আধ চামচ, লাল লঙ্কা গুঁড়ো স্বাদ অনুযায়ী (যদি
স্পাইসি পছন্দ না করেন তাহলে কম দিন), জিরা গুঁড়ো এক চামচ, লবণ স্বাদমতো, আর
রান্নার জন্য ৩-৪ চামচ তেল বা ঘি। প্রথম ধাপ হলো ডিমগুলো সেদ্ধ করা-একটা পাত্রে
জল দিয়ে ডিম ডুবিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন, তারপর ঠান্ডা জলে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে
প্রত্যেক ডিমে ছুরি দিয়ে হালকা চিরে দিন যাতে মশলা ভিতরে ঢোকে।
এদিকে কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে মাঝারি আঁচে ভাজুন যতক্ষণ না সোনালি
বাদামি হয় এবং সুগন্ধ বেরোতে শুরু করে, এতে সময় লাগবে ৪-৫ মিনিট। তারপর টমেটো
কুচি যোগ করে নরম করে নিন, আর রসুন-আদা বাটা মিশিয়ে আরও এক-দু মিনিট কষান যাতে
কাঁচা গন্ধ চলে যায়। এখন সব মশলা-হলুদ, লঙ্কা গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো আর লবণ-দিয়ে ভালো
করে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না মশলা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করে, এতে গ্রেভির স্বাদ গভীর
হয়। সামান্য জল দিয়ে (প্রায় আধ কাপ) গ্রেভি তৈরি করুন, তারপর চিরে রাখা ডিমগুলো
কড়াইয়ে দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে ৫-৭ মিনিট রান্না করুন যাতে ডিম মশলা শোষণ করে।
শেষে যদি চান তাহলে তাজা ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন, এতে রঙ আর সুগন্ধ বাড়বে। এই
ছাত্রদের জন্য ঝটপট রান্নার রেসিপি বাংলা স্টাইলে আপনি গরম ভাত, রুটি, পরোটা বা
এমনকি পাউরুটির সাথে পরিবেশন করতে পারেন।
আমার বন্ধুরা তো এটা খেয়ে সবসময় বলত, "ভাই, এটা তো মায়ের হাতের রান্নার মতো
লাগছে!" যদি আপনি স্পাইসি খাবার পছন্দ করেন তাহলে কাঁচা লঙ্কা যোগ করে দেখুন, আর
পুষ্টির দিক থেকে বলি-ডিমের প্রোটিন, টমেটোর ভিটামিন সি আর পেঁয়াজের
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে সুস্থ রাখবে। নতুন রাঁধুনিরা এটা দিয়ে শুরু করুন,
নিশ্চয় সফল হবেন আর আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
রেসিপি ২ঃ ডিম চড়চড়ি
সকালের ব্যস্ততায় ব্রেকফাস্ট স্কিপ করা অনেক ছাত্রের অভ্যাস, কিন্তু এতে দিনভর
ক্লান্তি লেগে থাকে আর কনসেনট্রেশন কমে যায়। তাই এই ডিম চড়চড়ি হলো একটা কুইক
ফিক্স, যা আমি কলেজে থাকতে প্রায় প্রতিদিন সকালে বানাতাম কারণ এটা তৈরি করতে লাগে
মাত্র ৭-১০ মিনিট আর সারাদিনের জন্য প্রোটিনের চার্জ দেয়। উপকরণগুলো খুব কম এবং
সহজে পাওয়া যায়ঃ ৪টা ডিম, একটা বড় পেঁয়াজ সূক্ষ্ম কুচি, ৩-৪টা কাঁচা লঙ্কা কুচি
(যদি মশলাদার পছন্দ না করেন তাহলে কম দিন বা স্কিপ করুন), লবণ স্বাদমতো, হলুদ
গুঁড়ো আধ চামচ যাতে রঙ আসে, আর রান্নার জন্য ১-২ চামচ তেল। যদি বাড়তি স্বাদ চান
তাহলে একটা টমেটো কুচি বা তাজা ধনেপাতা কুচি যোগ করতে পারেন, কিন্তু বেসিক
ভার্সনেও দারুণ হয়। প্রথমে কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি আর কাঁচা লঙ্কা দিয়ে
মাঝারি আঁচে ভাজুন যতক্ষণ না পেঁয়াজ নরম হয়ে স্বচ্ছ হয়ে যায় এবং হালকা সোনালি রঙ
ধরে, এতে সময় লাগবে ২-৩ মিনিট। এদিকে একটা বাটিতে ডিমগুলো ফেটিয়ে নিন, তাতে লবণ
আর হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে ভালো করে মিক্স করুন যাতে সমান হয়। এখন এই ফেটানো ডিমের
মিশ্রণ কড়াইয়ে ঢেলে দিন আর চামচ দিয়ে দ্রুত নাড়তে থাকুন যাতে ডিম ছোট ছোট টুকরো
হয়ে চড়চড়ি হয়ে যায়, মানে স্ক্র্যাম্বলড এগের মতো।
মাঝারি আঁচে ৪-৫ মিনিট নাড়লে হয়ে যাবে, কিন্তু ওভারকুক করবেন না না হলে শক্ত আর
শুকনো হয়ে যাবে। শেষে যদি টমেটো যোগ করেন তাহলে শুরুতে পেঁয়াজের সাথে দিন, আর
ধনেপাতা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। এই ছাত্রদের জন্য ঝটপট রান্নার রেসিপি বাংলা ভার্সনে
আপনি গরম পরোটা, রুটি, পাউরুটি বা এমনকি ভাতের সাথে খেতে পারেন, আর এটা সকালের
নাস্তা হিসেবে পারফেক্ট। আমার রুমমেট তো এটা খেয়ে সবসময় বলত, "এটা খেলে তো সকালে
ক্লাসে ঘুম আসে না, মাথা ফ্রেশ থাকে!" পুষ্টির কথা বললে-ডিমের হাই-কোয়ালিটি
প্রোটিন শরীরকে এনার্জাইজ করে, পেঁয়াজের ফাইবার হজম সাহায্য করে, আর হলুদের
অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ ইমিউনিটি বাড়ায়। যদি আপনি হেলদি ভার্সন চান তাহলে গাজর
কুচি, পালং শাক বা বেল পেপার যোগ করে সবজির পরিমাণ বাড়ান, এতে ভিটামিন আরও বেশি
পাবেন। রান্নায় নতুন যারা, তাদের জন্য এটা আদর্শ শুরু কারণ ভুল হওয়ার সম্ভাবনা
খুব কম, আর একবার করে দেখলে নেশা ধরে যাবে।
রেসিপি ৩ঃ আলুর ভাজি
আলু তো বাঙালি ছাত্রদের জীবনে একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ, কারণ এটা সস্তা, লম্বা সময়
স্টোর করা যায়, আর যেকোনো রেসিপিতে ব্যবহার করা যায়। হোস্টেলে থাকতে আমি আলু
সবসময় একটা ব্যাগ করে রাখতাম, কারণ যখন অন্য সবজি শেষ হয়ে যায় তখন এটাই উদ্ধার
করে। এই আলুর ভাজি হলো একটা ক্লাসিক রেসিপি যা বানাতে সময় লাগে ১৫-২০ মিনিট আর
স্বাদে হয় একদম ঘরের মতো। উপকরণঃ ৫-৬টা মাঝারি সাইজের আলু পাতলা করে কুচিয়ে ধুয়ে
রাখুন যাতে স্টার্চ চলে যায়, দুটো পেঁয়াজ সূক্ষ্ম কুচি, ৩-৪টা কাঁচা লঙ্কা কুচি
বা লাল লঙ্কা গুঁড়ো, জিরা ফোড়নের জন্য এক চামচ, হলুদ গুঁড়ো আধ চামচ, লবণ
স্বাদমতো, আর রান্নার জন্য ৪-৫ চামচ তেল। কড়াইয়ে তেল গরম করে প্রথমে জিরা ফোড়ন
দিন যতক্ষণ না ফুটে উঠে আর সুগন্ধ বেরোয়, তারপর পেঁয়াজ কুচি আর কাঁচা লঙ্কা দিয়ে
ভাজুন যতক্ষণ না পেঁয়াজ সোনালি হয়।
এখন আলু কুচি যোগ করে হলুদ, লঙ্কা গুঁড়ো আর লবণ মিশিয়ে ভালো করে নাড়ুন যাতে মশলা
সমানভাবে লাগে। ঢেকে মাঝারি আঁচে ১২-১৫ মিনিট রান্না করুন, মাঝে মাঝে নাড়ুন যাতে
নিচে লেগে না যায় আর আলু নরম হয়। যদি মুচমুচে চান তাহলে শেষের ৩-৪ মিনিট ঢাকা
খুলে হাই আঁচে ভাজুন। যদি ভ্যারিয়েশন চান তাহলে মটরশুটি, ফুলকপির টুকরো বা গাজর
কুচি যোগ করে সবজির মিক্স বানান, এতে রেসিপিটা আরও পুষ্টিকর হয়। এই ছাত্রদের জন্য
ঝটপট রান্নার রেসিপি বাংলা লিস্টে এটা সাইড ডিশ বা মেইন ডিশ হিসেবে দারুণ কাজ
করে-ভাতের সাথে, রুটি-পরোটা বা লুচির সাথে খান। আমার বন্ধুরা তো এটা দেখলেই প্লেট
ছোঁ মেরে নিত, কারণ স্বাদে একদম কমফর্ট ফুডের মতো। পুষ্টির দিক থেকে আলুর
কার্বোহাইড্রেট এনার্জি প্রোভাইড করে, আর কম তেলে বানালে ক্যালোরি কন্ট্রোল হয়।
যদি আপনি ভেগান রেসিপি চান তাহলে এটা পারফেক্ট, আর নতুনরা এটা করে দেখুন-সহজেই
সফল হবেন।
আরো পড়ুনঃ
এলার্জি কমানোর দেশি রেমেডি বাংলাদেশে
রেসিপি ৪ঃ পাউরুটির স্ন্যাক
যখন হোস্টেলে গ্যাস বা কড়াই ব্যবহার করা সম্ভব না হয়, বা রাতে পড়তে পড়তে হালকা
কিছু স্ন্যাকের দরকার হয়, তখন এই পাউরুটির স্ন্যাক হলো একটা সিম্পল সল্যুশন। আমার
ছাত্রজীবনে এটা ছিল আমার মিডনাইট স্ন্যাকের ফেভারিট, কারণ বানাতে লাগে মাত্র ১০
মিনিট আর উপকরণগুলো সবসময় হাতের কাছে থাকে। উপকরণঃ ৫-৬টা পাউরুটির স্লাইস (যদি
পুরনো হয় তাহলে আরও ভালো), ২-৩টা ডিম, সামান্য দুধ (প্রায় আধ কাপ), একটা পেঁয়াজ
সূক্ষ্ম কুচি, ২-৩টা কাঁচা লঙ্কা কুচি, লবণ স্বাদমতো, গোলমরিচ গুঁড়ো আধ চামচ, আর
ভাজার জন্য হালকা তেল বা বাটার। প্রথমে পাউরুটিগুলোকে ছোট ছোট টুকরো করে একটা
বাটিতে দুধে ভিজিয়ে রাখুন ২-৩ মিনিট যাতে নরম হয়, তারপর হাত দিয়ে ম্যাশ করে নিন।
ডিমগুলো ফেটিয়ে তাতে লবণ, গোলমরিচ, পেঁয়াজ কুচি আর লঙ্কা কুচি মিশান। এখন এই
ডিমের মিশ্রণের সাথে ম্যাশ করা পাউরুটি মিশিয়ে একটা সমান ব্যাটার বানান।
তাওয়া বা নন-স্টিক প্যানে হালকা তেল দিয়ে গরম করুন, তারপর মিশ্রণ থেকে ছোট ছোট
প্যাটি বা বল করে দিয়ে দুপিঠ সোনালি করে ভেজে নিন, প্রত্যেক পিসে ২-৩ মিনিট
লাগবে। যদি চান তাহলে উপরে চিজ কুচি ছড়িয়ে দিন বা টমেটো সস যোগ করুন যাতে স্বাদ
বাড়ে। এই ছাত্রদের জন্য ঝটপট রান্নার রেসিপি বাংলা স্টাইলে চা, কফি বা দুধের সাথে
দারুণ লাগে, আর এটা স্ন্যাক হিসেবে পারফেক্ট। আমার কাছে এটা ছিল একটা কুইক
এনার্জি বুস্টার, কারণ পাউরুটির কার্বস আর ডিমের প্রোটিন মিলে দ্রুত এনার্জি দেয়।
পুষ্টির দিক থেকে এটা ব্যালেন্সড, আর যদি হেলদি করতে চান তাহলে ব্রাউন ব্রেড
ব্যবহার করুন। নতুনরা এটা ট্রাই করে দেখুন, সহজেই হয়ে যাবে।
উপসংহার
এই ছাত্রদের জন্য ঝটপট রান্নার রেসিপি বাংলা আর্টিকেলটা লিখতে গিয়ে আমার নিজের
ছাত্রজীবনের অনেক মজার স্মৃতি মনে পড়ে গেল-সেই হোস্টেলের কমন কিচেনে বন্ধুদের
সাথে রান্না করা, ভুল করে মশলা বেশি দিয়ে খেয়ে হাসাহাসি, আর সফল হয়ে গেলে সবাই
মিলে খাওয়া। নিজে রান্না করা শুধু পেট ভরায় না, বরং মানসিক চাপ কমায়, আত্মবিশ্বাস
বাড়ায় আর একটা স্বাধীনতার অনুভূতি দেয় যা ছাত্রজীবনে খুব দরকার। আমি চেষ্টা করেছি
যাতে এই রেসিপিগুলো সহজ, সস্তা, দ্রুত আর স্বাস্থ্যকর হয়, যাতে আপনাদের ব্যস্ত
রুটিনে ফিট হয়। আপনারা ট্রাই করে দেখুন, প্রথমবার ভুল হলে হাসুন আর দ্বিতীয়বার
আবার করুন-প্র্যাকটিসেই সবকিছু পারফেক্ট হয়। যদি কোনো নতুন আইডিয়া বা ভ্যারিয়েশন
থাকে তাহলে কমেন্ট সেকশনে শেয়ার করুন, অন্যরাও উপকৃত হবে। শুভ রান্না করুন আর শুভ
পড়াশোনা করুন-সাফল্য আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে!





ইনফোনেস্টইনের শর্তাবলী মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট পর্যাবেক্ষন করা হয়।
comment url