মাসিকের সময় অতিরিক্ত দুর্বল লাগলে করণীয়
তোমার শরীরটা কি মাসিকের সময় একদম ভেঙে পড়ে? মাসিকের সময় অতিরিক্ত দুর্বল লাগলে
করণীয় জানলে এই অস্বস্তি অনেকটাই কমানো যায়। একটু পুষ্টিকর খাবার, পর্যাপ্ত পানি
আর ঠিকমতো বিশ্রাম অনেক বড় পার্থক্য গড়ে
শরীর যখন বারবার সংকেত দেয়, তখন একটু যত্ন নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। এই লেখায় সহজ
কিছু ঘরোয়া টিপস, খাবারের পরামর্শ আর দৈনন্দিন অভ্যাসের কথা আছে, যা আপনাকে সেই
ক্লান্ত দিনগুলোতে একটু স্বস্তি এনে দিতে পারে।
পেজ সূচিপত্রঃ মাসিকের সময় অতিরিক্ত দুর্বল লাগলে করণীয়
- মাসিকের সময় অতিরিক্ত দুর্বল লাগলে করণীয়
- আপনার শরীর কেন এ সময় এত দুর্বল হয়ে পড়ে?
- তাৎক্ষণিকভাবে স্বস্তি পাওয়ার উপায় কী কী?
- এ সময় কোন খাবার খেলে ভালো লাগবে?
- পানি আর তরল খাবারের গুরুত্ব
- বিশ্রাম আর হালকা ব্যায়ামের মধ্যে ভারসাম্য রাখবেন কীভাবে?
- কোন লক্ষণ দেখলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাবেন
- জীবনযাত্রায় কিছু অভ্যাস বদলালে অনেক সুবিধা
- ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক টিপস যা কাজে দেয়
- লেখকের শেষকথাঃ লেখকের মন্তব্য
মাসিকের সময় অতিরিক্ত দুর্বল লাগলে করণীয়
মাসিকের সময় অতিরিক্ত দুর্বল লাগলে করণীয় অনেক সহজ উপায় আছে যা আপনি নিজে বাড়িতে
চেষ্টা করতে পারেন। আপনি যখন হঠাৎ করে শরীরটা এত ভারী লাগে যে বিছানা ছেড়ে উঠতেও
ইচ্ছে করে না তখন নিজেকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। এটা আপনার শরীরের স্বাভাবিক
প্রতিক্রিয়া। শুধু একটু যত্ন নিলেই অনেকটা স্বস্তি পাবেন। আপনার শরীর এ সময় অনেক
রক্ত হারায়। সাথে লোহা আর অন্যান্য পুষ্টি উপাদানও বেরিয়ে যায়। ফলে মাথা ঘোরে আর
শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই প্রথমেই শান্ত হয়ে বসুন। নিজেকে একটু সময় দিন।
যেই মুহূর্তে দুর্বলতা শুরু হয় তখনই এক গ্লাস গরম পানিতে লেবু আর এক চামচ মধু
মিশিয়ে খেয়ে নিন। পা দুটো সামান্য উঁচু করে শুয়ে পড়ুন। মোবাইলটা একটু দূরে সরিয়ে
রাখুন আর গভীর শ্বাস নিন। দেখবেন পাঁচ-দশ মিনিটের মধ্যে মাথাটা হালকা হয়ে যায়। এ
সময় হালকা পুষ্টিকর খাবার খাওয়া খুব জরুরি। আপনি কলা, মুঠো বাদাম, পালং শাকের
তরকারি বা সেদ্ধ ডিম খেতে পারেন। প্রচুর পানি আর নারকেল পানি খান। শরীরকে ভিতর
থেকে শক্তি জোগান।
বাইরের জাঙ্ক ফুড একদম এড়িয়ে চলুন। নিজেকে খুব বেশি চাপ দেবেন না। আপনার শরীর এখন
বিশ্রাম চাইছে। হালকা হাঁটাহাঁটি করতে পারেন কিন্তু জোর করে কোনো কাজ করবেন না।
একটু যত্ন নিলেই এই দুর্বলতা অনেকটা কমে যাবে আর আপনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে
আসবেন।
আপনার শরীর কেন এ সময় এত দুর্বল হয়ে পড়ে?
আপনি যখন মাসিকের সময় হঠাৎ করে শরীরটা এত ভারী আর দুর্বল লাগে তখন নিজেকে প্রশ্ন
করেন কেন এমন হচ্ছে। আসলে আপনার শরীর এ সময় অনেক রক্ত হারায়। সেই সাথে লোহা,
ভিটামিন আর অন্যান্য জরুরি পুষ্টি উপাদানও বেরিয়ে যায়। ফলে শরীরের শক্তি দ্রুত
কমে যায় আর আপনার কাছে মনে হয় কিছুই করতে ইচ্ছে করছে না। আপনার হরমোনগুলোও এ সময়
ওঠানামা করে অনেক। ইস্ট্রোজেন আর প্রোজেস্টেরনের লেভেল বদলে যায় যার কারণে মাথা
ঘোরে, ক্লান্তি বাড়ে। আপনার শরীরটা তো একটা সূক্ষ্ম যন্ত্রের মতো। এই
পরিবর্তনগুলো স্বাভাবিক কিন্তু কখনো কখনো একটু বেশি চাপ দেয়। তাই আপনি যদি আগে
থেকে বুঝতে পারেন তাহলে সহজেই সামলাতে পারবেন।
আরো পড়ুনঃ চুল পড়া কমাতে কোন ভিটামিন দরকার
অনেকের ক্ষেত্রে আয়রনের মাত্রা আগে থেকেই কম থাকে। মাসিকের সময় সেটা আরও কমে যায়।
ফলে রক্তের অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা কমে। আপনার শরীর তখন বলে ওঠে "একটু বিশ্রাম
দাও"। এটা কোনো অসুখ নয়, শুধু আপনার শরীরের নিজস্ব ভাষা। তাই এই সময়টায় আপনাকে
একটু বেশি যত্ন নিতে হয়।
যদি আপনার দুর্বলতা খুব বেশি হয় তাহলে একবার ডাক্তারের কাছে চেক করিয়ে নিন। হয়তো
আপনার শরীরের কোনো ছোট সমস্যা আছে যেটা সহজেই সারিয়ে ফেলা যায়। আপনি নিজেকে বুঝলে
আর একটু যত্ন নিলে এই দুর্বলতা অনেক কমে যাবে। শরীর আপনারই, তার কথা শুনুন।
তাৎক্ষণিকভাবে স্বস্তি পাওয়ার উপায় কী কী?
মাসিকের সময় অতিরিক্ত দুর্বল লাগলে করণীয় অনেক সহজ আর তাৎক্ষণিক উপায় আছে যা আপনি
বাড়িতে বসেই চেষ্টা করে দেখতে পারেন। আপনি যখন হঠাৎ শরীরটা ভারী লাগে আর কিছু
করতে ইচ্ছে করে না তখন এই ছোট ছোট কাজগুলোই আপনাকে দ্রুত স্বস্তি দেয়। প্রথমেই এক
গ্লাস গরম পানিতে লেবু আর এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। দেখবেন কয়েক মিনিটের
মধ্যে শরীরে একটা হালকা এনার্জি ফিরে আসে। আপনি পা দুটো সামান্য উঁচু করে শুয়ে
পড়ুন। মোবাইলটা দূরে সরিয়ে রাখুন আর চোখ বন্ধ করে গভীর শ্বাস নিন।
এই সাধারণ কাজটা করলে রক্ত চলাচল ভালো হয় আর মাথার ঘোরা কমে যায়। আমি বলি, এই
পাঁচ মিনিটের বিশ্রাম আপনার দিনটা অনেকটা বদলে দিতে পারে। শরীরকে জোর করে চালাবেন
না। যদি পেটে অস্বস্তি হয় তাহলে গরম পানির ব্যাগটা পেটের নিচে লাগিয়ে রাখুন।
হালকা করে পেট ম্যাসাজ করুন। এতে পেশি শিথিল হয় আর দুর্বলতা অনেক কম লাগে। আপনি
যদি এই সময়টা একটু যত্ন নেন তাহলে শরীর নিজে থেকেই সাড়া দেয়। ছোট ছোট এই
টিপসগুলোই আপনাকে দ্রুত স্বাভাবিক করে তোলে।
শেষে এক কাপ আদা চা বা তুলসী চা খেয়ে নিন। এগুলো আপনার শরীরের ভিতর থেকে গরম করে
আর ক্লান্তি কাটিয়ে দেয়। আপনি দেখবেন এই তাৎক্ষণিক উপায়গুলো মেনে চললে দুর্বলতা
আর ততটা জোরালো থাকে না। শরীরের কথা শুনুন আর একটু সময় দিন নিজেকে। সব ঠিক হয়ে
যাবে।
এ সময় কোন খাবার খেলে ভালো লাগবে?
আপনি যখন মাসিকের সময় শরীরটা এত দুর্বল আর ভারী লাগে তখন খাবারই আপনাকে সবচেয়ে বড়
সাহায্য করে। পালং শাকের তরকারি, ডাল আর কলা আপনার প্রতিদিনের খাবারে রাখুন। মুঠো
বাদাম বা একটা বিটরুটও খেয়ে দেখুন। এগুলোতে প্রচুর লোহা আর পুষ্টি আছে যা আপনার
শরীরের হারানো শক্তি দ্রুত ফিরিয়ে দেয়। আপনি নিজে বুঝতে পারবেন কয়েক ঘণ্টার
মধ্যেই কেমন হালকা লাগছে। আপনার শরীর এ সময় আয়রন চায় বলে সেদ্ধ ডিম বা অল্প লাল
মাংসও ভালো কাজ করে। ডার্ক চকলেট খেতে ইচ্ছে করলে একটা ছোট টুকরো নিন। এতে মুডও
ভালো হয় আর দুর্বলতা কম লাগে।
আপনি যদি নিয়মিত এই খাবারগুলো খান তাহলে শরীর আর ততটা ক্লান্ত হয় না। ছোট ছোট
অংশে খান যাতে পেট ভারী না লাগে। আপনি প্রচুর পানি আর নারকেল পানি খাবেন। জাঙ্ক
ফুড বা বেশি চা-কফি এড়িয়ে চলুন কারণ সেগুলো দুর্বলতা আরও বাড়ায়। ঘরে যা আছে তাই
দিয়ে শুরু করুন। দেখবেন আপনার শরীর নিজে থেকে সাড়া দিচ্ছে। একটু যত্ন নিলেই এই
সময়টা অনেক সহজ হয়ে যায়।
পানি আর তরল খাবারের গুরুত্ব
আপনি যখন মাসিকের সময় শরীরটা এত দুর্বল আর ভারী লাগে তখন পানি আর তরল খাবারই
আপনাকে সবচেয়ে দ্রুত সাহায্য করে। আপনার শরীর এ সময় অনেক পানি হারায় যার কারণে
ক্লান্তি আরও বেড়ে যায়। মাসিকের সময় অতিরিক্ত দুর্বল লাগলে করণীয় এই ছোট অভ্যাসটা
মেনে চলুন। দিনে আট থেকে দশ গ্লাস সাধারণ পানি খান। আপনি নারকেল পানি বা ফলের রসও
রাখুন সাথে। এগুলো শরীরকে ভিতর থেকে হাইড্রেট করে আর হারানো শক্তি ফিরিয়ে
দেয়।
কফি বা চা একটু কমিয়ে দিন কারণ সেগুলো পানির অভাব আরও বাড়ায়। আপনি দেখবেন এই তরল
জিনিসগুলো খেলে মাথা ঘোরা কমে আর শরীর হালকা লাগে। শেষে এক কাপ আদা চা বা লেবু
পানি খেয়ে নিন। এতে শরীর গরম হয় আর দুর্বলতা অনেকটা কমে যায়। আপনি নিজে একটু যত্ন
নিলেই এই সময়টা সহজ হয়ে যায়। শরীরের কথা শুনুন আর প্রতিদিন পানি খেতে ভুলবেন না।
বিশ্রাম আর হালকা ব্যায়ামের মধ্যে ভারসাম্য রাখবেন কীভাবে?
বিশ্রাম আর হালকা ব্যায়ামের মধ্যে ভারসাম্য রাখবেন কীভাবে?
আপনি যখন মাসিকের সময় শরীরটা এত দুর্বল আর ভারী লাগে তখন পুরো দিন বিছানায় পড়ে
থাকাটা খুব লোভনীয় মনে হয়। কিন্তু আপনার শরীরকে একেবারে স্থির রাখলে রক্ত চলাচল
কমে আর ক্লান্তি আরও বেড়ে যায়। তাই আপনি হালকা নড়াচড়া করুন। শরীরের কথা শুনে চললে
সবচেয়ে ভালো ফল পাবেন। আপনি দিনে দুবার মাত্র ১০-১৫ মিনিট ধীরে ধীরে ঘরের মধ্যে
হাঁটুন। যোগাসনে শবাসন বা বালাসনের মতো সহজ আসন করলে পেশি শিথিল হয় আর মনও শান্ত
থাকে।
জোর করে কিছু করবেন না। এই ছোট ছোট নড়াচড়াই আপনার শরীরকে সতেজ রাখে। যখন শরীর
বলছে বিশ্রাম চাই তখন একদম শুয়ে পড়ুন। পা দুটো সামান্য উঁচু করে রাখুন বা গরম
পানির ব্যাগ লাগিয়ে নিন। এভাবে বিশ্রাম আর হালকা ব্যায়ামের ভারসাম্য রাখলে
দুর্বলতা অনেক কম লাগবে। আপনি নিজেকে চাপ দেবেন না, শরীরের সাথে বন্ধুত্ব করুন।
কোন লক্ষণ দেখলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাবেন
আপনি যখন মাসিকের সময় শরীরটা এত দুর্বল আর ভারী লাগে তখন সাধারণ ক্লান্তি থেকে
আলাদা কোনো লক্ষণ দেখলে সতর্ক হয়ে যান। যেমন প্রচুর রক্তপাত যাতে এক ঘণ্টায় প্যাড
ভিজে যায় বা মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি। মাসিকের সময় অতিরিক্ত
দুর্বল লাগলে করণীয় এই লক্ষণগুলো একদম উপেক্ষা করবেন না। ডাক্তারের কাছে চলে যান।
আপনার শরীর যদি বারবার বমি করে বা তীব্র পেট ব্যথায় ছটফট করে তাহলে দেরি করবেন
না।
শ্বাসকষ্ট বা অস্বাভাবিক ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়াও বড় সংকেত। এগুলো সাধারণ দুর্বলতার
চেয়ে অনেক বেশি কিছু হতে পারে। আয়রনের মাত্রা বা অন্য কোনো সমস্যা চেক করিয়ে নিন।
শেষে একটা কথা বলি, ঝুঁকি নেবেন না। সময়মতো ডাক্তার দেখালে অনেক বড় সমস্যা এড়ানো
যায়। আপনি নিজের শরীরকে চিনুন আর যত্ন নিন। সব ঠিক হয়ে যাবে।
জীবনযাত্রায় কিছু অভ্যাস বদলালে অনেক সুবিধা
আপনি যদি প্রতি মাসে মাসিকের সময় একই দুর্বলতা অনুভব করেন তাহলে শুধু সেই সময় নয়
সারা মাস জুড়ে ছোট ছোট অভ্যাস বদলালে অনেক বড় পরিবর্তন দেখতে পাবেন। মাসিকের সময়
অতিরিক্ত দুর্বল লাগলে করণীয় এই অভ্যাসগুলো মেনে চললে আপনার শরীর অনেক সহজে সামলে
নেয়। নিয়মিত ঘুমের রুটিন রাখুন। রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যান আর সকালে উঠুন। আপনি
প্রতিদিন আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। পালং শাক ডাল বাদাম আর ফল রাখুন
খাবার তালিকায়। স্ট্রেস কমাতে হালকা ব্যায়াম বা মেডিটেশন করুন।
এই ছোট অভ্যাসগুলো আপনার শরীরকে আগে থেকেই শক্তিশালী করে তোলে। ফলে দুর্বলতা আর
ততটা জোরালো হয় না। আপনি যখন এভাবে জীবনযাত্রা একটু সুসংগঠিত করবেন তখন দেখবেন
মাসিকের সময় আর আগের মতো এত ক্লান্ত লাগে না। ধীরে ধীরে অভ্যাসগুলো গড়ে তুলুন।
নিজের শরীরের প্রতি যত্নশীল হলে সে আপনাকে অনেক বেশি সমর্থন দেবে। একটু ধৈর্য
ধরুন ফলাফল পাবেন।
ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক টিপস যা কাজে দেয়
আপনি যখন মাসিকের সময় শরীরটা এত দুর্বল আর ভারী লাগে তখন ঘরে যা আছে তাই দিয়ে
অনেক স্বস্তি পাওয়া যায়। আদা কুচি করে চা বানিয়ে খান। সাথে এক চিমটি তুলসী পাতা
দিলে শরীর গরম হয় আর ক্লান্তি কমে যায়। মেথি ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলে পেটের
অস্বস্তিও কম লাগে। আপনি দেখবেন এই ছোট ছোট জিনিসগুলোই অনেক বড় ওষুধের কাজ করে।
আপনি গরম পানির ব্যাগটা পেটের নিচে লাগিয়ে রাখুন। হালকা করে পেট ম্যাসাজ করুন।
এতে পেশি শিথিল হয় আর রক্ত চলাচল ভালো হয়। অল্প করে নারকেল তেল বা তিলের তেল গরম
করে পেটে লাগালে আরও ভালো লাগে।
আরো পড়ুনঃ ত্বক উজ্জ্বল করার হোমমেড ডিটক্স ড্রিংক
আপনার শরীর নিজে থেকে সাড়া দেয়। এই প্রাকৃতিক উপায়গুলো কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
ছাড়াই কাজ করে। শেষে এক কাপ দারচিনি বা এলাচ চা খেয়ে নিন। এগুলো আপনার শরীরের
ভিতর থেকে গরম করে আর দুর্বলতা অনেকটা কমিয়ে দেয়। আপনি নিয়মিত এই টিপসগুলো চেষ্টা
করলে দেখবেন প্রতি মাসে অনেক সহজ হয়ে যায়। শরীরের কথা শুনুন আর প্রকৃতির দেয়া এই
সহজ উপায়গুলোকে ব্যবহার করুন। সব ঠিক হয়ে যাবে।
লেখকের শেষকথাঃ লেখকের মন্তব্য
আপনি যত্ন নিলেই এই সময়টা অনেক সহজ হয়ে যায়। আমি শুধু আমার অভিজ্ঞতা আর সাধারণ
জ্ঞান থেকে কয়েকটা কথা শেয়ার করলাম। আপনার শরীর আপনারই, তাই তার কথা সবার আগে
শুনুন। ছোট ছোট অভ্যাস আর একটু যত্ন নিলে প্রতি মাসে অনেকটা ফ্রেশ লাগবে। এই
লেখাটা কোনো ডাক্তারি পরামর্শ নয়।
যদি দুর্বলতা খুব বেশি হয় বা অন্য কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে অবশ্যই
ডাক্তারের কাছে যান। আপনি নিজেকে ভালোবাসুন আর শরীরকে সময় দিন। সব ঠিক হয়ে যাবে।
আমি আশা করি এই টিপসগুলো আপনার কাজে লাগবে। কেমন লাগল লেখাটা? কোন টিপসটা আপনি
চেষ্টা করবেন? কমেন্টে জানান। নিজের যত্ন নিন।



ইনফোনেস্টইনের শর্তাবলী মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট পর্যাবেক্ষন করা হয়।
comment url